
যশোরের হোটেলে আগুন
শেষ আপডেট: 6 August 2024 12:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। সোমবার এই ঘটনার পর থেকেই বাংলাদেশের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। জায়গায় জায়গায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে, ঘরে ঢুকে মারধরের ঘটনাও বাদ যায়নি। মূলত আওয়ামী লীগের নেতা, সাংসদদের বাড়ি, হোটেলে হামলা চালানো হয়েছে। যশোরেও একটি হোটেলে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে এবং তাতে দগ্ধ হয়ে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
যশোরে যে হোটেলে আগুন লাগানো হয়েছিল সেটি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের মালিকানাধীন একটি পাঁচতারা হোটেল। সোমবারই এই হোটেলে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার সেই পুড়ে যাওয়া হোটেল থেকে ২১ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন বিদেশিও আছেন যিনি ইন্দোনেশিয়ার বাসিন্দা।
তবে সকলের মৃত্যু আগুনে পুড়ে হয়েছে এমনটা নয়। সোমবারের ভাঙচুরের সময়েই কয়েকজনকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে বলে শোনা গেছে। সেই মারধরের ঘটনার পরই হোটেলে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। হোটেলের নিচতলায় আগুন লাগানোর ফলে বেশিরভাগ কেউই সেখান থেকে বেরোতে পারেননি। ফলে আগুনে পুড়েই মৃত্যু হয়েছে তাদের।
সোমবারই ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর মিলেছিল। তারপর সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১। দমকলবাহিনী ২-৩ ঘণ্টার চেষ্টাতেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। তবে তারা কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলেন, তাঁদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এমনকী হোটেলের ছাদ থেকে কাউকে উদ্ধার করাও মুশকিল হয়ে গেছিল। হোটেলের পাশাপাশি শাহীন চাকলাদারের কাঁঠালতলা এলাকার বাসভবনে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শহরের চারখাম্বা মোড়ে অবস্থিত শেখ রাসেলের ভাস্কর্যও ভাঙচুর করা হয়েছে।