
তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা বাংলাদেশে।
শেষ আপডেট: 22 April 2024 15:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দহনজ্বালায় জ্বলছে বাংলাদেশ। পশ্চিমবঙ্গের মতোই তীব্র তাপপ্রবাহ বাংলাদেশে। খুলনার ১৩টি জেলার উপর দিয় লু বইছে। সিভিয়ার হিট অ্যালার্ট জারি হয়েছে। আর তারই মাঝে অঘটন ঘটেছে। হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে চার জনের। মৃতেরা সকলেই চুয়াডাঙা, পাবনা ও গাজীপুরের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
শনিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চলতি মরশুমে এটাই দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। আজ আরও ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেড়েছে বলে খবর। বাংলাদেশের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও বাড়বে। লু বইবে কয়েকটি জেলার উপর দিয়ে। জধানী ঢকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র গরমে ঢাকার অদূরে গাজীপুরে ১, চুয়াডাঙায় ২ ও পাবনায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।
শনিবার দুপুরে পাবনা শহরের রুপকথা রোডে তীব্র দাবদাহে হিটস্ট্রোক করে একজনের মৃত্যু হয়। সেখানের একটি চায়ের দোকানে এসেছিলেন তিনি। গরমে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে আশপাশের লোকজন নিয়ে যান পাবনা জেনারেল হাসপাতালে। সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহিদুল ইসলাম তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত সুকুমার দাস (৬০) পাবনারর শালগাড়িয়া জাকিরের মোড়ের বাসিন্দা। অন্যদিকে, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ঠাকুরপুর গ্রামে মাঠে কাজ করার সময় হিট স্ট্রোকে মারা গিয়েছে জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তি। তিনি দামুড়হুদার ঠাকুরপুর গ্রামের বাসিন্দা।
এমন পরিস্থিতিতে দেশের সব স্কুল, কলেজ আপাতত সাতদিনের জন্য ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। দরকার ছাড়া রাস্তায় বেরোতে বারণ করেছে সে দেশের স্বাস্থ্য অধি দফতর। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্তলাল সেন জানিয়েছেন, এই তীব্র গরমে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সেই সঙ্গেই বাড়ছে হিট স্ট্রোক এবং অন্যান্য সমস্যা। হাসপাতালগুলিতে স্ট্রোক ওয়ার্ড খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।