
বাংলাদেশের সাংসদ আনোয়ারুল আজিম
শেষ আপডেট: 22 May 2024 14:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতায় চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন বাংলাদেশের সাংসদ আনোয়ারুল আজিম। গত ৯ দিন ধরে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের তরফে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এরপর বুধবার সকালে তাঁর মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।
নিউটাউনের অভিজাত আবাসনে ছিলেন বাংলাদেশের শাসকদল আওয়ামি লিগের ৩ বারের সাংসদ। এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল শুরু হয়েছে দুই দেশের কূটনৈতিক মহলে। খুন নাকি মৃত্যুর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ সেবিষয়ে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
বাংলাদেশের ঝিনাইদহের সাংসদ আনোয়ারুল আজিম। তিনি কলকাতায় চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন। গত ১৬ মে সিঁথি এলাকায় বন্ধু গোপাল বিশ্বাসের বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান।
গত ১২ মে কলকাতা এসেছিলেন আনোয়ারুল আজিম। তারপর পরিবারের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ করেননি তিনি। ১৪ মে থেকে তাঁর ফোন ‘সুইচ অফ’ পাওয়া যাচ্ছে। আনোয়ারুলের পরিবারের তরফে এরপর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর যোগাযোগ করে দিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশের দূতাবাসের সঙ্গে। মাঝে একদিন তাঁর ফোনের সিমকার্ড বিহারের 'লোকেশনে' পাওয়া গিয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রের খবর।
যদিও কলকাতার বাংলাদেশ উপ-দূতাবাস জানিয়েছে, তাদের কাছে সাংসদের দেহ উদ্ধারের বিষয়ে কোনও খবর সরকারি সূত্র থেকে নেই। সাংসদ নিখোঁজ হওয়ার পর তারা দুই দেশের পুলিশ ও তদন্তকারীদের মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে দেয়। তদন্তকারীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রেখে কাজ করছিলেন।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান সাংসদ আজিমকে খুন করা হয়েছে। তবে পুলিশ এবিষয়ে এখনও স্পষ্টভাবে কিছু জানায়নি। তদন্ত করছে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট। সঙ্গে রয়েছে আইবি, এসটিএফ। পুলিশ সূত্রের এও খবর, ইতিমধ্যে ঘটনাটিতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
২০১৪ সালে প্রথম সাংসদ নির্বাচিত হন আনোয়ারুল আজিম। পরপর তিনবার সাংসদ হন তিনি। জানা যায়, বাংলাদেশে আজিমের একটি ব্যবসা আছে। সেই ব্যবসায় প্রচুর টাকা লাভ করেছিলেন তিনি। মঙ্গলবার বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাঁর নিখোঁজ হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।