বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, ভোটের সময় নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা এবং বিএনপির কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যানের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য আগামী দিনগুলির রাজনীতিকে জটিল করে তুলতে পারে।

শেষ আপডেট: 29 May 2025 15:17
ঢাকায় বিএনপি’র বুধবারের তারুণ্যের সমাবেশে (BNP rally at Dhaka) যোগ দিয়ে নির্বাচন নিয়ে একপ্রকার শেষ কথা বলে দিয়েছেন বিএনপির কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তারেক জিয়া (Tarek Zia, acting chairman of BNP) । লন্ডন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দিয়ে ইউনুস সরকারের (Yunus government) উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন করাতে হবে।’ হুঁশিয়ারির সুরে আরও বলেছেন, ‘ভোট ডিসেন্বরেই হবে।’ অর্থাৎ বিএনপি ডিসেম্বরের মধ্যে ভোট করাতে সরকারকে বাধ্য করাবে এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন খালেদা-পুত্র।
তারেকের ভাষণের কাছাকাছি সময়ে জাপান সফররত প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস টোকিওয় এই অনুষ্ঠানের ভাষণে নির্বাচন নিয়ে সরকারের আগের অবস্থানেই অন়ড় থেকেছেন। তিনি ফের বলেছেন, ভোট আগামী বছরের জুনের মধ্যে হবে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, ভোটের সময় নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা এবং বিএনপির কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যানের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য আগামী দিনগুলির রাজনীতিকে জটিল করে তুলতে পারে। সরকার এবং বিএনপি, দু’পক্ষের কথাতেই অবস্থানে অনড় থাকার ইঙ্গিত রয়েছে। খালেদা জিয়ার পার্টির বুধবারের সভার ভিড় দলটিকে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে শক্তি জোগাবে বলে অনেকে মনে করছেন।

বুধবার ঢাকায় বিএনপির তারুণ্যের সমাবেশ। এই সভা থেকে ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচন চেয়ে এক দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারেক জিয়া।
গত বছর ৫ অগাস্ট আওয়ামী লিগের নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়েছিল গণঅভ্যুত্থানের মুখে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলের কোটা বিরোধী কর্মসূচি তীব্রতা পেয়েছিল ১৭ জুলাই থেকে। সরকারি চাকরিতে কোটার বিরোধিতা-সহ একাধিক ইস্যুতে শুরু হওয়া সেই আন্দোলন শেষ পর্যন্ত হাসিনা সরকারের পতনের এক দফায় পরিণত হয়। সেই আন্দোলনের ঢেউয়ে আওয়ামী লিগের পনেরো বছরের শাসনের অবসান ঘটে। পরিস্থিতির চাপে দেশ ছাড়তে হয় শেখ হাসিনা-সহ আওয়ামী লিগের নেতা-কর্মীদের। যে রাজনৈতিক বিপর্যয়কে ক্ষমতাচ্যুত দলটির নেতারা একান্তে ‘জুলাই-অগাস্ট ক্রাইসিস’ বলে উল্লেখ করে থাকেন।
ভারতের রাজনীতিতে জুলাই ক্রাইসিস একটি আলোচিত বিষয়। শরিকি বিবাদে ১৯৭৯ সালের ১৫ জুলাই পদত্যাগ করেছিলেন তৎকালীন জনতা পার্টির সরকারের প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই। সেটাই ছিল ভারতের জাতীয় পর্যায়ের প্রথম জোট সরকার। বহু আলোচিত দ্বিতীয় জুলাই সংকটে অবশ্য প্রধানমন্ত্রীকে গদি হারাতে হয়নি। ২০০৮-এর ৮ জুলাই ভারতের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছিল সিপিএম-সহ বাম দলগুলি। যদিও অন্য দলগুলির সমর্থন নিয়ে টিকে যায় তৎকালীন মনমোহন সিং সরকার। ভারতের রাজনীতিতে এই দুই ঘটনা ‘জুলাই ক্রাইসিস’ বলে পরিচিত।
গত বছরের ৫ অগাস্টের পর থেকে বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ সচল না থাকলেও মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তী সরকারকে প্রথম থেকেই আওয়ামী লিগ বাদে বিএনপি-সহ প্রথমসারির দলগুলি সমর্থন জুগিয়ে আসছে। সমর্থনের কয়ের দফা পুনর্নবীকরণও করিয়ে নিয়েছেন রাজনীতির বৃত্তের বাইরের মানুষ ইউনুস। সংখ্যালঘু নিপীড়নের ঘটনায় ভারতের হুঁশিয়ারি, বাংলাদেশ হিন্দু জাগরণ ঐক্য মঞ্চের আহ্বায়ক চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারিকে ঘিরে দেশে তৈরি অস্থিরতাকে জাতীয় সংকট বলে উল্লেখ করে ইউনুস সব দলকে ডেকে বৈঠক করেন। একবাক্যে সব পার্টি সরকারে পাশে দাঁড়িয়ে যায়। বলাইবাহুল্য আওয়ামী লিগ সেই তালিকায় ছিল না।
ইতিপূর্বে আরও একাধিক ইস্যুতে প্রথমসারির দলগুলিকে পাশে পেয়েছেন ইউনুস। তালিকায় সর্বশেষ সংযোজনটি হয়েছে গত সপ্তাহে। তিনি পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দেওয়ায় বিএনপি সহ সব দল নতুন করে তাঁর প্রতি আস্থাজ্ঞাপন করে। আস্থার নয়া নবীকরণের পর চারদিনের সফরে জাপান হিয়েছেন তিনি। তাৎপর্যপূর্ণ হল, প্রতিবারই সরকারের সংকটকে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। কখনও স্পষ্ট, কখনও আভাসে বলতে চেয়েছেন, ভারত তাঁর সরকারকে হটাতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বাংলাদেশে আওয়ামী লিগ বিরোধী দলগুলিতে পাশে পাওয়ার বহু ব্যবহৃত কৌশলটিই বারে বারে ব্যবহার করছেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বিদেশে থাকাকালে বিএনপি বুধবারে সমাবেশ থেকে এক দফা দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছে। ডিসেম্বরে নির্বাচনকেই পাখির চোখ করেছে খালেদা জিয়ার দল। জিনিসপত্রের দাম, আইন-শৃঙ্খলার অবনতির মতো বিষয়ে নীরব বিএনপি মনে করছে ডিসেম্বরে নির্বাচনের এক দফা দাবিতেই বাজিমাৎ করবে তারা।
অন্যদিকে, মহম্মদ ইউনুস এবং তাঁর সরকারও এক দফাতেই অনড়। সরকার আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করাতে আগ্রহী। ডিসেম্বরে ভোটের দাবি এই বক্তব্যের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করেছে ইউনুস সরকার। বিএনপির বুধবারের সমাবেশের মেজাজ ও নেতাদের বক্তব্যে স্পষ্ট তারা এবার সরকারের পাশ থেকে সরে আসতে শুরু করবে।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথ যেভাবে এগিয়েছে তাতে বিএনপির সংকট বেড়েছে বই কমেনি। তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ আওয়ামী লিগ ময়দানে না থাকলেও একদা মিত্র জামায়াতে ইসলামি এবং নতুন তৈরি দল জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি-কে নিয়ে তাদের ভাবতে হচ্ছে। বিএনপি-র তুলনায় এই দুটি দল অত্যন্ত ক্ষুদ্র শক্তি হলেও তারা সরকারের চালিকা শক্তিতে অবতীর্ণ হয়েছে। ডিসেম্বরে ভোটের দাবিতে বিএনপি রাজপথে নামলে আগে সংস্কার, তারপর ভোটের দাবিতে পাল্টা পথে নামতে পারে এই দুই দল। সেক্ষেত্রে বড় ধরনের দমনপীড়ন ছাড়াই ইউনুস সরকার বিএনপি-তে দমিয়ে দিতে পারবে এবং ভোটের প্রশ্নে রাজনৈতিক অনৈক্য নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের বড় হাতিয়ার হতে পারে। এমনকী আগামী বছর জুন দূরের কথা, অনির্দিষ্টকালের জন্য ভোট পিছিয়ে যেতে পারে।
ফলে ডিসেম্বর-জুন ক্রাইসিস শেষ পর্যম্ত সরকার আর বিএনপি-র মধ্যে কার জন্য পৌষ মাস আর কার ভাদ্র মাস হবে এখনই বলা কঠিন। দায়িত্ব নিয়ে বলা যায়, বিএনপির জন্য কঠিন সময় আসছে। তারা ইউনুসকে চাপে ফেলতে পথে নামলে বিএনপি সরকারের সময়ের অপকর্ম, দুর্নীতি, অপশাসনও সামনে আসতে শুরু করবে। সামনে আসবে অন্তর্বর্তী সরকারের বিগত সাড়ে নয় মাসে বিএনপি-র সুবিধা নেওয়ার দীর্ঘ তালিকা। তারেক জিয়া যে সব মামলায় নির্দোষ ঘোষিত হয়েছেন, সেগুলি নিয়ে উচ্চ আদালতে সরকারের ভিন্ন অবস্থান নেওয়াও অসম্ভব নয়।
হাসিনা সরকারের পতনের পর আচমকা সৃষ্ট রাজনৈতিক শূন্যতার কারণে বিএনপি এক অভিনব সমস্যার মুখে পড়েছে। নির্বাচন না হওয়ায় বিএনপি-র সরকার গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে তারেক জিয়া দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার সুযোগ পাননি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সালাউদ্দিন আহমেদ, মির্জা আব্বাস, মঈন খানের মতো নেতারা মন্ত্রী হননি বটে। কিন্তু বিএনপি-র জেলা, উপজেলা, নগর পর্যায়ের নেতারা প্রশাসন এবং স্বশাসিত সংস্থাগুলির দখল নিয়ে বিনা নির্বাচনেই ক্ষমতায় মধুভাণ্ড পেয়ে গিয়েছে।
দলের এই অংশের সরকার বিরোধী আন্দোলন নিয়ে আগ্রহ কম। কারণ, নির্বাচন হলে নতুন সাংসদ তাঁর নিজের মতো করে টিম সাজাবেন। এক বিন্দু ঘাম না ঝরিয়ে ক্ষমতা হাতে পেয়ে যাওয়া নেতারা তাই ভোট ভোট করে মাথা ঠুকতে নারাজ। ফলে খালেদা জিয়া, তারেক জিয়ার পার্টি রাজধানী ঢাকার রাজপথ অচল করে দিতে পারলেও জেলাগুলিতে আন্দোলন সংঘঠিত করতে পারবে কি না তা নিয়ে সংশয় আছে দলে। চাঁদাবাজি, রাহাজানি, সিন্ডিকেট চালানো নেতাদের একাংশকে দল বহিষ্কার করেছে বটে। দলের এক প্রবীণ নেতার কথায়, পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়েছে যে ঠগ বাছতে গা উজার হওয়ার জোগার। ফলে বিপথগামী নেতা-কর্মীদের তাড়িয়ে দল শুদ্ধির রাস্তার আর হাঁটছে না বিএনপি।
কুরবানির ইদের পর, জুনের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে শেখ হাসিনা-সহ আওয়ামী লিগ নেতাদের বিচার শুরু হবে। অক্টোবরের মধ্যে বিচার শেষ করে সাজা ঘোষণার পরিকল্পনা নিয়ে এগচ্ছে সরকার পক্ষ, এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আই্নজীবী তাজুল ইসলাম। মহম্মদ ইউনুস সরকার ইতিমধ্যে আওয়ামী লিগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। হাসিনার বিচারের রায় ঘোষণার পাশাপাশি আওয়ামী লিগকে পার্টি হিসাবে নিষিদ্ধ ঘোষণাও অসম্ভব নয়। ট্রাইব্যুনালকে দলের বিচার করার ক্ষমতাও সদ্য দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এরই মধ্যে আওয়ামী লিগের নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন বাতিল করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। ফলে নির্বাচন যখনই হোক আওয়ামী লিগের ভোটে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই বললেই চলে। সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান এতদিন অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের কথা বললেও গত সপ্তাহের ভাষণে এই প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়েছেন। তিনি ডিসেম্বরে ভোট করার কথাই শুধু সরকারের উদ্দেশে বলেছেন।
প্রশ্ন হল, আওয়ামী লিগের সামনে যদি ভোটে অংশ নিতে কোনও বাধা না থাকত তাহলে কি শেখ হাসিনার দল নির্বাচনে যেত। এই ব্যাপারে আওয়ামী লিগের প্রথমসারির নেতারা প্রকাশ্যে এক কথা বলছেন। ‘অফ দ্য রেকর্ড’ অর্থাৎ একান্তে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলছেন অন্য কথা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নিবন্ধন বাতিল হওয়ার আগে পর্যন্ত আওয়ামী লিগ নেতারা প্রকাশ্যে বলতেন, অবাধ ও শাম্তিপূর্ণ পরিবেশে সব দলের জন্য সমান সুযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন হলে দল অবশ্যই অংশগ্রহণ করবে। কিন্তু তখনও একান্তে তাঁরা অন্য কথা বলেছেন।
নেত্রীর বরাত দিয়ে অনেক নেতা তখনও বলেছেন, কৌশলগত কারণে আওয়ামী লিগ এখনই নির্বাচন চায় না। কারণ নির্বাচন হয়ে গেলে পাঁচ বছর তারা আর রাজনীতিতে বিন্দুমাত্র মাথা তুলতে পারবে না, আশঙ্কা নেত্রীর। আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতৃত্বের ধারণা, তাঁদের বাদ দিয়ে ভোট হলেও বিএনপি একক শক্তিতে ক্ষমতায় আসতে পারবে না। সেক্ষেত্রে বিএনপি-র সঙ্গে জামাত এবং এনসিপি-কে নিয়ে জাতীয় সরকারের মডেল দাড় করানোর চেষ্টা হবে। সেই সরকার আওয়ামী লিগকে ফিরতে দেবে না।
হাসিনা দলকে বুঝিয়েছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হলেও আর কিছুদিন পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে। জনরোষের মুখে ইউনুস সরকারের পতন হবে। তখন শুধু নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি অন্তর্বর্তী জাতীয় সরকার গঠনের রাস্তা খুলে যেতে পারে সেনাবাহিনীর তৎপরতায়। সেই সরকার আওয়ামী লিগকেও ভোটে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেবে। হাসিনা-সহ দলের নেতারা দেশে ফিরে যাবেন।
এমন সুযোগ আওয়ামী লিগ পাবে কি না, এখনই বলা মুশকিল। দলের নেতারা অনেকেই বলছেন, বেআইনি এবং লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে পশ্চিমি দূনিয়া ইউনুস সরকারকে বাধ্য করতে পারলেই পরিস্থিতি বদলে যাবে। নেতাদের বড় অংশ তখন দেশে ফিরে যাবেন। তাঁরা এখন দেশে ফেরা নিরাপদ মনে করছেন না। এক নেতার কথায়, গ্রেফতারির ভয় পাই না। আসলে পথেঘাটে পিটিয়ে মারা, গুম খুনই আসল সমস্যা। এমন ঘটনা শুরু হলে বাকি নেতা-কর্মীরা আরও ভয় পেয়ে যাবে।
আওয়ামী লিগ নেতারা এই ব্যাপারে একটি ধারণা বা প্রস্তাব নানা মহলে প্রচার করছেন। তাঁরা বলছেন, অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় সরকার গঠন করা গেলে তারা একটি নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি তৈরি করে দেবে। সেই কমিটি অভিযোগগুলির সত্যাসত্য বিচার করে ফৌজদারি আদালতে বিচারের জন্য সুপারিশ করবে। প্রকৃত অপরাধী সাজা পাবে। তাতে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর হবে।