
বাংলাদেশে রেমাল
শেষ আপডেট: 27 May 2024 18:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত ১০ জন মারা গিয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে পারে বলে বাংলাদেশ প্রশাসন মনে করছে। আশঙ্কা মতো দেশের উপকূলীয় জেলাগুলিতে মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি বেশি। এরমধ্যে আছে সুন্দরবন লাগোয়া জেলা ভোলা, পটুয়াখালি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা ইত্যাদি। মৃতদের মধ্যে একজন বছর সত্তরের প্রবীণ আছেন। যিনি আশ্রয় শিবিরে যাওয়ার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বাকি মৃতদের অনেকেই দেওয়াল চাপা পড়ে মারা গিয়েছেন। একই কারণে অনেকে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ক মন্ত্রী মহিববুর রহমান জানান, রবিবার রাতে ঘূর্ণিঝড় রেমাল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অতিক্রম করে তাঁদের উপকূলীয় জেলাগুলিতে আছড়ে পড়ে। বাংলাদেশের সেতুমন্ত্রী তথা শাসক দল আওয়ামী লিগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, আবহাওয়ার উন্নতি হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনে যাবেন। রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ, পরামর্শ দেন।
জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড় মিলিয়ে বাংলাদেশ বছরে গড়ে তিনটির মতো বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়। প্রতিটিতেই মৃত্যু এবং সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। তবে এবার ঝড়ের গতিবেগের তুলনায় প্রাণহানি এবং ক্ষয়ক্ষতি কম বলেই সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে। যদিও চাষের ক্ষতি নিয়ে সরকার চিন্তিত। ঝড়ের পর লাগাতার বৃষ্টি হচ্ছে উপকূলীয় জেলাগুলিতে। সমুদ্র উত্তাল থাকায় মাছ ধরা এবং পণ্য আনা নেওয়ার কাজও শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে বন্ধ আছে।