কিস ডে-তে চুম্বনের আগে একটু জেনে রাখুন ঝুঁকির দিকটাও। হারপিস, কিসিং ডিজিজ, সর্দি-ফ্লু থেকে ওরাল সংক্রমণ—লালার মাধ্যমে ছড়াতে পারে নানা রোগ। কী বলছেন চিকিৎসক, জানুন সেফ কিস টিপস

আজ কিস ডে
শেষ আপডেট: 13 February 2026 20:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বাস রাখি চুমুতে, বিশ্বাস আশ্লেষে/বিশ্বাস রাখি ঠোঁটে ঠোঁট রেখে …. আজ কবীর সুমনের এই লাইনকে সাক্ষী রেখেই আবার ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ভালোবাসার আলিঙ্গন হবে। কারণ আজ কিস ডে। ভালোবাসা প্রকাশের সবচেয়ে মিষ্টি ভাষা হয়তো একটি চুমুই। তবে আবেগ, রোম্যান্স আর কাছাকাছি আসার মুহূর্তে সব ভুলে গেলে চলবে না। এই মুহূর্তে আমরা কি একবারও ভাবি, ঠোঁটের এই স্পর্শ শরীর-মনে সুখানুভূতি জাগিয়ে তুললেও, বিপদের হাতছানিও কিছু আছে কি না?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পর্ক দৃঢ় করতে চুম্বন করুন। কিন্তু এই গভীরতা, আলিঙ্গণ থেকে ভালোবাসা গাঢ় হলেও একে-অপরের শরীরে ঢুকে পরতে পারে রোগ জীবাণুও। - এসব আজ শুনতে ভালো না লাগলেও মানতে তো হবেই। কারণ এক মুহূর্তের সুখ, অসুখের কারণ হয়েও দাঁড়াতে পারে। আর ঠোঁট ও মুখের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় এ ব্যাপারটা এড়িয়ে গেলে ভুল করবেন।
কী হতে পারে?
গবেষণায় দেখা গেছে, চুম্বনের সময় লালা বিনিময়ের মাধ্যমে শতাধিক ধরনের ব্যাকটিরিয়া ও ভাইরাস এক জনের শরীর থেকে অন্য জনের শরীরে যায়।
চুম্বন থেকে যে ঝুঁকিগুলো হতে পারে—
লিপস্টিক বা লিপ বাম শেয়ার?
কাছের মানুষের সঙ্গে প্রসাধনী ভাগ করে নেওয়ার মধ্যেও একটা সুখ আছে। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এটি ঠিক নয়। একজনের ব্যবহৃত লিপ প্রোডাক্টে থাকা জীবাণু অন্যজনের ঠোঁটে সহজেই চলে যায়।
কখন চুম্বনে বাধা?
চিকিৎসক বলছেন, কিছু পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকতে। যেমন—
তাহলে কি কিস বাদ?
একেবারেই নয়। সুস্থ সম্পর্কে এটা বাদ দেওয়া যায় নাকি! শুধু প্রয়োজন হাইজিন মেনে চলা এবং কোনও সংক্রমণ থাকলে একটু সচেতন থাকা। ডার্মাটোলজিস্টের কথায়, “ভালবাসা প্রকাশে বাধা নেই। তবে নিজের বা সঙ্গীর ঠোঁটে সমস্যা থাকলে একটু অপেক্ষা করাই ভাল।”
সেফ কিস টিপস
সংক্রমণ থাকলে ঘনিষ্ঠতা কিছুদিন এড়িয়ে চলুন
তাই বিশেষ দিনে যদি নাও হয় লিপ কিস। হোক না ফ্রেঞ্চ, ফরহেড কিংবা চিক কিস। বাকিটা তোলা থাক ভালবাসার বিশেষ দিনটির জন্য।