
পাঞ্জাব পুলিশ
শেষ আপডেট: 5 May 2024 16:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাঞ্জাবের ফিরোজপুরে ১৯ বছর বয়সি এক তরুণকে স্থানীয় মানুষ পিটিয়ে হত্যা করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বক্শিশ সিং নামে ওই তরুণকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া মাত্র চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ওই তরুণ বান্ডালা গ্রামের গুরুদ্বারে ঢুকে গ্রন্থসাহিব ছিঁড়ে সেটি অপবিত্র করেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। অন্যদিকে, নিহত তরুণের বাবা লখবিন্দর সিং খানায় এফআইআর করে দোষীদের শাস্তি দাবি করেছেন।
ঘটনাটি অন্য মাত্রা পেয়েছে পুলিশের ভূমিকায়। ওই ঘটনায় পুলিশ যে এফআইআর দায়ের করেছে তাতে পিটিয়ে হত্যার উল্লেখ নেই। গুরুদ্বার কমিটির অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ধর্মগ্রন্থ অপবিত্র করার অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছে এফআইআরে। যদিও গুরুদ্বারের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে কীভাবে স্থানীয় মানুষ ওই তরুণকে দলবদ্ধ হয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। মৃতের বাবার দাবি, তাঁর ছেলে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল। তাঁর চিকিৎসা চলছিল। প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয় গ্রামবাসীরা একজনও কি ছেলেটির মানসিক ভারসাম্যের সমস্যার কথা জানতেন না।
ঘটনার রেশ অনেক দূর গরিয়েছে। গ্রামবাসীদের দাবি শনিবার নির্জন দুপুরে এই তরুণ গুরুদ্বারে ঢুকে গ্রন্থ সাহিবের বেশ কিছু পাতা ছিঁড়ে বেরিয়ে আলে। লঙ্গরখানার লোকজন তাঁকে আটক করলে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার জুড়ে দেয়। চিৎকার শুনেই আশপাশের মানুষ জড়ো হন।
এদিকে, এই ঘটনায় বিবৃতি দিয়ে ঘটনাটিকে ভিন্ন মাত্রা গিয়েছে শিখ ধর্মের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান অকাল তখত। অকাল তখতের জাঠেদার জ্ঞানী রাঘবির সিং বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, আইনের শাসন ব্যর্থ বলেই ওই তরুণকে মরতে হল। সকলের মনে রাখা দরকার শিখদের কাছে গ্রন্থ সাহিবের গুরুত্ব অসীম। সেই পবিত্র গ্রন্থ অপবিত্র করার চেষ্টা শিখরা বরদাস্ত করে না। কিন্তু প্রায় গ্রন্থ সাহিব অপপবিত্র করার চেষ্টা হয়।