
যোগশিক্ষার সময় তিনি কাছে রাখা গাধীর বাঁট থেকে নিজে দুধ দুইলেন।
শেষ আপডেট: 3 December 2024 16:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গাধার দুধে জাদু আছে! গোরু-মহিষের দুধের থেকে অনেক বেশি বলবর্ধক গাধার দুধ। গাধার দুধ যৌবন ধরে রাখতে সহায়ক, বার্ধক্যের ছাপ ও উপসর্গ ধরা পড়বে না। বয়সের ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখতে সাহায্য করে গাধার দুধ। না, কোনও বৈজ্ঞানিকের বা পুষ্টিবিদের গবেষণার ফল নয়। এমন দাবি করলেন বহু বিতর্কিত যোগগুরু বাবা রামদেব।
ফের একবার সকলের পিলে চমকে দেওয়া তত্ত্ব খাড়া করলেন পতঞ্জলি যোগপীঠের গুরু রামদেব। এবার তিনি বললেন, গাধার দুধ হল অতি শক্তিবর্ধক পথ্য। গোরু, ছাগল ও মহিষের দুধের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী। শুধু মুখের কথাই নয়, যোগশিক্ষার সময় তিনি কাছে রাখা গাধীর বাঁট থেকে নিজে দুধ দুইলেন। এবং সকলের চোখ কপালে তুলে দিয়ে সেই দুধ চোঁ-চাঁ করে পান করে নিলেন।
তারপরেই বললেন, শোনা গেল এই দুধের একাধিক উপকারিতার কথা। যা স্বাস্থ্যই শুধু নয়, সৌন্দর্য ধরে রাখার চাবিকাঠি। বিশেষত বয়সের কালি এড়িয়ে যাঁরা চিরযৌবন-শক্তি ধরে রাখতে চান তাঁদের অব্যর্থ পথ্য হিসেবে গাধার দুধ খাওয়ার নিদান দিলেন রামদেব বাবা।
বাবা রামদেবের এই কথা ও দুধ দোওয়ার ছবি পতঞ্জলি অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে শেয়ারও করা হয়েছে। যা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেছেন, গাধার দুধ অন্য যে কোনও প্রাণীর দুধের চেয়ে অনেক বেশি পুষ্টিবর্ধক। গাধার দুধে রয়েছে ল্যাক্টোফেরিন। যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট।
তাঁর কাছে উপস্থিত থাকা এক ডাক্তারবাবুও রামদেবের দাবিকে মান্যতা দেন। তিনিও জানান, গাধার দুধ স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির চাবিকাঠি। এটা শুধু ত্বকে ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখে তাই নয়, বয়ঃপ্রাপ্তির যে যে উপসর্গ শরীরে ধরা পড়ে তা কমাতে সাহায্য করে।
বাবা রামদেব উদাহরণ দিয়ে বলেন, প্রাচীন মিশরের রানি ক্লিওপেট্রা গাধার দুধ দিয়ে স্নান করতেন। যে কারণে দীর্ঘদিন তাঁর যৌবন ও সৌন্দর্য অটুট ছিল। প্রাচীন সেই ঐতিহ্য আজও অমলিন রয়েছে। গাধার দুধকে রামদেব সুপার প্রসাধনী বলে উল্লেখ করেন। ত্বকের আশীর্বাদ হল গাধার দুধ।
ডাক্তারদের মতে, যাঁদের গোরু বা মহিষের দুধে অ্যালার্জি আছে তাঁদের পক্ষেও গাধার দুধ ভালো। খুব সহজেই হজম হয় এই দুধ। এতে ভালো ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিনের মতে, গাধার দুধে খুবই উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন এ, ডি, ক্যালসিয়াম এবং পটাশিয়াম রয়েছে। এতে হাড় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
পাঠকদের প্রতি সচেতনতামূলক বক্তব্য: এই প্রতিবেদনের উৎস জি নিউজের হিন্দি সংস্করণ। যদি কেউ শুধুমাত্র এই লেখা পড়ে গাধার দুধ সেবন শুরু করেন, তার জন্য এই প্রতিবেদনটি দায়ী নয়। নিজের ডাক্তারের সঙ্গে স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ নিয়ে তবেই পদক্ষেপের অনুরোধ রইল।