Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

পোখরান পরমাণু পরীক্ষার দিনটি কেন জাতীয় প্রযুক্তি দিবস হিসেবে পালিত হয়?

১৯৯৮ সালের ৫ মে এবং ১১ মে ধারাবাহিক পরমাণু পরীক্ষা হল রাজস্থানের মরুভূমি পোখরানে

পোখরান পরমাণু পরীক্ষার দিনটি কেন জাতীয় প্রযুক্তি দিবস হিসেবে পালিত হয়?

পোখরানে পরমাণু পরীক্ষার পর অটলবিহারী বাজপেয়ি এবং এপিজে আবদুল কালাম। ফাইল ছবি।

শেষ আপডেট: 29 May 2024 18:14

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৬ বছর আগের ঠিক এইদিন। এনডিএ সরকারের প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ির নেতৃত্বে হল শক্তি সিরিজের পরমাণু পরীক্ষা। গোটা বিশ্বকে বিশেষত পাকিস্তানকে চমকে দিয়ে পরমাণু শক্তিধর দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল ভারত।

১৯৯৮ সালের ৫ মে এবং ১১ মে ধারাবাহিক পরমাণু পরীক্ষা হল রাজস্থানের মরুভূমি পোখরানে। ইন্দিরা গান্ধীর হাতে যে পরীক্ষার সূচনা তা করে দেখালেন বাজপেয়ি। জাতীয় সুরক্ষা এবং পরিবেশ সচেতনতার পরিচয় দিল দেশ। সেই দিনটি থেকে ১১ মে-কে জাতীয় প্রযুক্তি দিবস বা ন্যাশনাল টেকনোলজি ডে হিসেবে পালন করা হয়।

আজ ভারতের হাতে রয়েছে ৫ হাজার কিমি পাল্লার ভূমি থেকে ছোড়ার মতো অগ্নি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ৩০০০ কিমি পাল্লার কে-৪ ডুবোজাহাজ থেকে ছোড়ার উপযোগী ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। যা চীন ও পাকিস্তানের চোখরাঙানিকে সহজেই উপেক্ষা করতে পারে।

পরমাণু বোমা পরীক্ষার পর থেকেই ভারতকে আন্তর্জাতিক শক্তিধর দেশ হিসেবে সমীহ করতে থাকে আমেরিকা, রাশিয়া, চীন, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও কানাডার মতো দেশগুলিও। ভারত পরমাণু শক্তির পরীক্ষা করল কেন? তার জবাবও দিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ি। বললেন, চীনের জন্য ভারত পরমাণু শক্তির আত্মপ্রকাশ ঘটাল।

পরমাণু পরীক্ষার দুদিন পর ১৩ মে, ১৯৯৮, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনকে একটি চিঠি লেখেন অটল। তাতে তিনি বলেন, আমরা পরমাণু অস্ত্র শক্তিধর দেশ হিসেবে মাথাচাড়া দিলাম। সীমান্ত ও দেশ সুরক্ষায় এটা প্রয়োজন ছিল। ১৯৬২ সাল থেকে একটি দেশ সশস্ত্র আগ্রাসনের চেষ্টা করে চলেছে। তারই জবাব ছিল সেদিন ভারতের। ৯৮ সালের ১১ মে হল সেইদিন যেদিন ভারত বিশ্বের দরবারে নিজের শক্তির অস্তিত্ব জাহির করে দেখিয়ে দিল আর অনুন্নত দেশের তালিকায় নয়, এবার উন্নত দেশগুলির তালিকা উঠে আসা আর বেশি দূরে নয়।

পরমাণু পরীক্ষার এই সাফল্যেই এইদিনটিকে জাতীয় প্রযুক্তি দিবস হিসেবে পালন করা হয়। দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশেষত পরমাণু ক্ষেত্রে ভারতের সাফল্যকে স্মরণ করতেই দিনটি পালিত হয়। আর এর পিছনে যে মানুষটির নাম প্রথমেই করতে হয়, তিনি হলেন পরমাণু বিজ্ঞানী এপিজে আবদুল কালাম। ভারতের 'মিসাইল ম্যান' কালাম পরবর্তীতে দেশের রাষ্ট্রপতিও হয়েছিলেন।


```