প্রতি বছরই বাজেটের দিন রাষ্ট্রপতি অর্থমন্ত্রীকে দই ও চিনি খাওয়ান। ভারতীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, দই-চিনি শুভ লক্ষণ, সৌভাগ্য এবং কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার প্রতীক।

বাজেট পেশের আগে অর্থমন্ত্রী ও তাঁর টিম রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
শেষ আপডেট: 1 February 2026 10:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আজ, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬— ভারতের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। সংসদে (Parliament) পেশ হতে চলেছে চলতি বছরের কেন্দ্রীয় বাজেট (Union Budget 2026), যা আগামী আর্থিক বছরে (FY) দেশের অর্থনীতির দিশা নির্ধারণ করবে। কেন্দ্রীয় বাজেট শুধু সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসেব নয়, এটি কোটি কোটি ভারতীয়ের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এবং দেশের আর্থিক রূপরেখার পথনকশা। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সংসদে টানা নবম কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
ভারতীয় সংস্কৃতিতে শুভ সূচনার সঙ্গে নানা রীতিনীতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তেমনই একটি প্রথা হল বাজেট পেশের আগে ‘দই-চিনি’ (Dahi-Chini) খাওয়ানো। প্রতি বছরই বাজেটের দিন রাষ্ট্রপতি (President of India) অর্থমন্ত্রীকে দই ও চিনি খাওয়ান। ভারতীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, দই-চিনি শুভ লক্ষণ, সৌভাগ্য এবং কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার প্রতীক। বাজেট পেশের আগে অর্থমন্ত্রী ও তাঁর টিম রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেই সময় রাষ্ট্রপতি অর্থমন্ত্রীকে দই-চিনি খাইয়ে আশীর্বাদ করেন, যেন দেশের আর্থিক ভবিষ্যৎ মসৃণ ও সফল হয়।
এদিন নির্মলা সীতারামন তাঁর নবম বাজেট পেশ করতে চলেছেন। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বাজেট পেশ করার রেকর্ড রয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইয়ের নামে। তিনি মোট ১০টি বাজেট পেশ করেছিলেন—১৯৫৯ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে অর্থমন্ত্রী হিসেবে ছ’টি এবং ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সালের মধ্যে আরও চারটি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম, যিনি মোট ন’টি বাজেট পেশ করেছেন। আজকের বাজেটের মাধ্যমে নির্মলা সীতারামন তাঁর রেকর্ডে সমতা আনলেন এবং মোরারজি দেশাইয়ের ঐতিহাসিক নজিরের আরও এক ধাপ কাছে পৌঁছে গেলেন।