
কে মুখ্যমন্ত্রী?
শেষ আপডেট: 23 November 2024 14:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহারাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণে জয়ের প্রায় নিশ্চয়তা চলে আসায় অভিনন্দনের বন্যা চলছে মহায়ুতি জোটে। কিন্তু, তারমধ্যেই মেঘ ঘনিয়েছে হবু মুখ্যমন্ত্রী মুখ নিয়ে। ভোটের আগে যেমন-তেমন করে তিন দলের দুজনকে উপমুখ্যমন্ত্রী করে কাজ চালিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। কিন্তু, ২৮৮ আসন বিশিষ্ট মহারাষ্ট্র বিধানসভায় ২২৩টিতে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট। যার মধ্যে বিজেপি একাই হাতে পেতে চলেছে ১২৪টি আসন। ফলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসাবে মুখ্যমন্ত্রী পদে হকদার হতে পারে বিজেপিই। কারণ জোটের অন্য দুই শরিক শিন্ডে শিবসেনা ৫৬টি এবং অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর এনসিপি ৩৯টি এগিয়ে রয়েছে। সে কারণে যত মিনিট কাটছে ততই বিজেপির পক্ষে মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবি জোরাল হতে চলেছে।
ইতিমধ্যেই উদ্ধব ঠাকরে, রাহুল গান্ধী, শারদ পাওয়ারদের মহা বিকাশ আঘাড়িকে রাজ্যে মুছে ফেলে ক্ষমতায় বসতে চলা একনাথ শিন্ডে, দেবেন্দ্র ফড়নবিশ ও অজিত পাওয়ারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, নীতিন গড়করিসহ বিজেপির তাবড় নেতৃত্ব। কিন্তু, তারমধ্যেই উঠেছে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী মুখ নিয়ে বিতর্ক।
উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের মা সরিতা ফড়নবিশ দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন, তাঁর ছেলেই পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দাবিদার। তিনি বলেন, অবশ্যই ও মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার হকদার। কারণ এই মুহূর্তটির জন্য ও দিনরাত এক করে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গিয়েছে। একইভাবে শিন্ডে অনুগামীদের বক্তব্য, জোটের সংকটকালে একনাথ শিন্ডে যেভাবে রাজ্য পরিচালনা করেছেন তাতে তিনিই ফের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দাবিদার। অন্যদিকে, অজিত পাওয়ারের গোষ্ঠীরও দাবি তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করা হোক।
এই অবস্থায় শনিবার দুপুরের পর একনাথ, দেবেন্দ্র ও অজিত বর্ষা ভবন থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন। সেখানে রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানানো সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী মুখও ঘোষণা হতে পারে। তারপর দেবেন্দ্র ফড়নবিশ বিজেপি অফিসে গিয়ে দলীয় সমর্থকদের সঙ্গে জয়ের আনন্দ উপভোগ করবেন।
প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটে খারাপ ফলের পর বিজেপি ফের উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে রাজ্যে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কেন্দ্রিক ফোকাস সরিয়ে আঞ্চলিক নেতৃত্বের দিকে এনে ফেলায় এবং স্থানীয় ছোট ছোট সমস্যাকে ইস্যু করার সাফল্য ঘরে তুলল গেরুয়া শিবির।