
শেষ আপডেট: 23 December 2023 07:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি অনেক আগেই শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। বড়দিনের ছুটি শুরুর মুখে ফের দলের নেতাদের আগামী লোকসভা ভোটের প্রচারের অভিমুখ স্মরণ করিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
শুক্রবার থেকে দিল্লিতে শুরু হয়েছে বিজেপির নির্বাচন সক্রান্ত দুদিনের বৈঠক। সবে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শেষ হয়েছে। সাংসদেরা যে যার রাজ্যে ফিরে যাওয়ার আগে নির্বাচন সক্রান্ত আলোচনা সেরে নেওয়া হচ্ছে। বৈঠকে ডাকা হয়েছে দলের রাজ্য সভাপতিদেরও।
শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বৈঠকে স্পষ্ট করে দেন, দুটি বিষয়কে বিজেপির প্রচারে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিতে হবে। এক. তাঁর সরকারের দশ বছরের কাজ। লাগাতার প্রচার চালাতে হবে, মানুষ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছে। কাউকে বঞ্চনা করা হয়নি। সরকার সবকা সাথ, এই ঘোষণা কাজের মধ্যে দিয়ে প্রমাণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকারের কথা ও কাজে ফারাক নেই মানুষকে এটা বোঝাতে হবে। তাঁর পরামর্শ, সোশ্যাল মিডিয়ায় সুবিধাভোগীদের কথা প্রতিদিন প্রচার করতে হবে সব নেতা, সাংসদকে।
দুই, সরকার গরিব, যুব, মহিলা ও কৃষকের স্বার্থে কাজ করেছে এবং করে যাবে, এই কথাটি বেশি করে প্রচার করতে হবে।
বিরোধীদের কাস্ট সেন্সাস ও সংরক্ষণের দাবির মোকাবিলায় মোদী সদ্য সমাপ্ত পাঁচ রাজ্যের ভোটে বারে বারে গরিব, যুবা, মহিলা ও কৃষকের স্বার্থ রক্ষার কথা বলেছেন। লোকসভা ভোটেও একই কৌশল প্রয়োগ করতে চলেছেন তিনি। দলকে সেই পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তাহলে কি বিজেপি হিন্দুত্বের কথা প্রচারে সেভাবে আনবে না? দলের জাতীয় কর্মসমিতির এক সদস্য বলেন, হিন্দুত্ব অবশ্যই থাকবে। ওটাই বিজেপির রাজনীতির মূল স্তম্ভ ও মন্ত্র। আমরা মনে করি হিন্দুত্বের পথই মোদী সরকারের সাফল্যের প্রধান স্তম্ভ। প্রচারে সেই কথা থাকবে। তবে দল যেহেতু দশ বছর ক্ষমতায় তাই কাজের খতিয়ানই হবে প্রধান অস্ত্র।
সেই ভাবনাকে মাথায় রেখে তৈরি হয়েছে নতুন স্লোগান। সেটি হল 'স্বপ্নে নহি হকিকত বনতে হ্যায়, ইসলিয়ে তো সব মোদী কো চুনতে হ্যায়।' অর্থাৎ মোদীর কথার বাস্তবে প্রতিফলিত হয় বলেই মানুষ তাঁকে বারে বারে নির্বাচিত করে। এছাড়া মোদীর গ্যারান্টি তো আছেই।