
হকার এবং ফেরিওয়ালার মতো বৃহৎ পুঁজির ব্যবসা নয় এমন মানুষরা রয়েছেন।
শেষ আপডেট: 8 July 2024 16:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে তৃতীয় মোদী সরকারের প্রথম চ্যালেঞ্জ হল চাকরি সৃষ্টি। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আগামী এক দশক ধরে বছরে ১ কোটি ২০ লক্ষ করে জীবিকা তৈরি করাই জাতীয় অর্থনীতির ধারক হতে পারে। এই অবস্থায় সরকারি তথ্যই বলছে, গত সাত বছরে দেশের অর্ধেকের বেশি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অসংগঠিত ক্ষেত্রে লাখে লাখে মানুষ কর্মহীন হয়েছেন। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ শীর্ষে রয়েছে।
ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভে অফিসের অসংগঠিত ক্ষেত্র নিয়ে বার্ষিক নমুনা সমীক্ষা রিপোর্টে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৮টির মধ্যে ১৩টি রাজ্য এবং তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অসংগঠিত ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যভাবে কর্মহীন হয়েছেন সাধারণ মানুষ। যার মধ্যে সবার উপরে রয়েছে বাংলা। এখানে ২০১৫-১৬ থেকে ২০২২-২৩ অর্থাৎ সাতবছরে কর্মহীন হয়েছেন ৩০ লক্ষ মানুষ।
অসংগঠিত ক্ষেত্রের মধ্যে পড়ে ক্ষুদ্র ব্যবসা, যা নিজস্ব কিংবা অংশীদারি ভিত্তিতেও হতে পারে। এছাড়া হকার এবং ফেরিওয়ালার মতো বৃহৎ পুঁজির ব্যবসা নয় এমন মানুষরা রয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের পরেই কাজ ও ব্যবসা বন্ধের তালিকায় রয়েছে কর্নাটক। সেখানে ওই একই সময়ে ১৩ লক্ষ মানুষ কাজ হারিয়েছেন।
তারপরের স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু (১২ লক্ষ), উত্তরপ্রদেশ (৭ লক্ষ ৯১ হাজার), অন্ধ্রপ্রদেশ (৬ লক্ষ ৭৭ হাজার), কেরল (৬ লক্ষ ৪০ হাজার), অসম (৪ লক্ষ ৯৪ হাজার) এবং তেলঙ্গানা (৩ লক্ষ ৪৪ হাজার)। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে সবার উপরে রয়েছে দিল্লি। সেখানে প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ জীবিকা হারিয়েছেন। তারপরে রয়েছে চণ্ডীগড় (৫১ হাজার) এবং পুদুচেরি (৩২ হাজার)। জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখের হিসাব এর মধ্যে নেই।
যদিও বিপরীত ছবিও আছে। এই সাত বছরে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে প্রথমে রয়েছে মহারাষ্ট্র। ২৪ লক্ষ কর্মী সংযোজন করেছে তারা। গুজরাতে জীবিকা লাভ করেছেন অতিরিক্ত ৭ লক্ষ ৬২ হাজার মানুষ। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ওড়িশা (৭ লক্ষ ৬১ হাজার), রাজস্থান (৭ লক্ষ ৫৬ হাজার)।