1.webp)
নদীর প্রলয় নাচন।
শেষ আপডেট: 30 July 2024 13:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেরলে অতিবৃষ্টির জেরে ভূমিধসে বন্যার তোড়ের মতোই মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ৫৪ জনের বেশির মৃত্যু হয়েছে। এখনও কয়েকশো মানুষ কাদামাটির নীচে চাপা পড়ে রয়েছেন অথবা বাঁধভাঙা নদীর স্রোতে ভেসে গিয়েছেন। এদিন লোকসভায় বিরোধী দলনেতা তথা ওয়ানাড়ের প্রাক্তন সাংসদ রাহুল গান্ধী বলেন, ধসে অন্তত ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মুন্ডাক্কাই গ্রাম পুরো ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গিয়েছে। সেখানে কত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, এখনই বলা যাচ্ছে না। আমি প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গে কথা বলেছি। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে সবরকম সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি।
রাহুলের দাবি, ওয়ানাড় এবং পশ্চিমঘাট পর্বতের বহু এলাকা ধসপ্রবণ হয়ে রয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে দেশের বহু জায়গাই ধসপ্রবণ হয়েছে, যা খুবই আতঙ্কের বিষয়। ফলে এই মুহূর্তে ধসপ্রবণ এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে লোকসভায় বলেন রাহুল। ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর সাহায্য নেওয়া হয়েছে। কান্নুর থেকে ধস কবলিত ওয়ানাড়ে পৌঁছে গিয়েছে সেনাবাহিনীর একটি দল। খোদ রাজনাথ সিং এদিন সকালে সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে কথা বলেন।
রাজ্যসভাতেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা বলেন, কেরলে যা ঘটেছে তা শুধু রাজ্যের ক্ষেত্রেই নয়, গোটা দেশের পক্ষে উদ্বেগজনক। কেন্দ্রীয় সরকার সব ধরনের সাহায্য করছে। সরকারের তরফে তিনি সভাকে আশ্বস্ত করেন এই বলে যে, যত রকমের সহযোগিতার সুযোগ আসবে তা করা হবে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ চলছে।
ধস কবলিত এলাকায় জীবিতের খোঁজে পুলিশ ড্রোন নামিয়েছে। পুলিশ কুকুরের দলও খোঁজ চালাচ্ছে কাদামাটির ভিতরে। সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং দল যোগাযোগ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় যুদ্ধ তৎপরতায় কাজ করছে।