ব্যক্তির নাম রাহিল শেখ। তিনি এমএনএস-এর রাজ্য সহসভাপতি জাভেদ শেখের ছেলে। শুধু মদ্যপ অবস্থাতেই নয়, তিনি মহিলার উদ্দেশে গালিগালাজ করতে করতে নিজের বাবার নামও নিচ্ছেন।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 7 July 2025 17:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহারাষ্ট্রে (Maharastra) ভাষা বিতর্কের আবহে একের পর এক ঘটনায় মারধরের অভিযোগ উঠছে রাজ ঠাকরের দল মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস)-র কর্মীদের (MNS) বিরুদ্ধে। অভিযোগ, মারাঠি না-বলা হিন্দিভাষী নাগরিকদের মারধর করছেন তারা। এমন পরিস্থিতিতে এক ভিডিও আরও অস্বস্তিতে ফেলেছে রাজ ঠাকরের দলকে।
ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি অর্ধনগ্ন অবস্থায় গাড়ির ভিতর বসে রয়েছেন, সঙ্গে চলছে অশ্লীল গালিগালাজ (Woman Assault)। যাকে তিনি গালিগালাজ করছেন, তিনি এক মহিলা। ওই মহিলাই ভিডিওটি মোবাইলে রেকর্ড করেছেন।
জানা গেছে, ওই ব্যক্তির নাম রাহিল শেখ। তিনি এমএনএস-এর রাজ্য সহসভাপতি জাভেদ শেখের ছেলে। শুধু মদ্যপ অবস্থাতেই নয়, তিনি মহিলার উদ্দেশে গালিগালাজ করতে করতে নিজের বাবার নামও নিচ্ছেন।
ঘটনার পরই মুম্বইয়ের আমবোলি থানায় দায়ের হয় এফআইআর। রাহিলের বিরুদ্ধে মহিলার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা এবং বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।
যিনি ভিডিওটি রেকর্ড করে সোশ্যাল মাধ্যমে শেয়ার করেছিলেন, তাঁর নাম রাজশ্রী মোরে। সেই ভিডিওই শেয়ার করে মহারাষ্ট্রের শিবসেনা (ঠাকরে গোষ্ঠী) নেতা সঞ্জয় নিরুপম কটাক্ষ করেছেন এমএনএস-কে। তাঁর প্রশ্ন, “মারাঠি সংস্কৃতির রক্ষক দাবি করা মানুষদের আসল চেহারা এটাই কি? নিজেরাই মারাঠি মহিলার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন। রাজ ঠাকরের দল কি তবে এখন মুসলিম চাপে হিন্দুদেরই মারছে?”
नशे में धुत।
अधनंगा।
एक मराठी भाषिक महिला के साथ गाली-गलौज करता हुआ मनसे का नेता पुत्र।
ऊपर से अपने बाप के रसूख़ की धौंस दे रहा है।
मराठी स्वाभिमान की रक्षा करने का दावा करनेवालों का असली चेहरा देखिए।
क्या इन्हीं मुसलमानों के दबाव में मनसेवाले हिंदुओं पर हमले कर रहे हैं ? pic.twitter.com/vOkXz1Ev0w— Sanjay Nirupam (@sanjaynirupam) July 7, 2025
তিনি আরও বলেন, “ভাষার নামে গুন্ডামি করা ছাড়া এমএনএস-এর আর কোনও কাজ নেই। বাস্তবটা এটাই। আমাদের সরকার মারাঠি ভাষার বিরুদ্ধে নয়, বরং ভাষা ও সংস্কৃতির প্রচারেই উৎসাহী।”
উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে একাধিক জায়গায় হিন্দিভাষী গাড়িচালক, দোকানদার বা নাগরিকদের উপর চড়াও হতে দেখা গেছে এমএনএস কর্মীদের। মারাঠি ভাষার ব্যবহার না করায় তাদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এই বিতর্কের মধ্যেই ভাইরাল হওয়া রাহিল শেখের ভিডিও রাজ ঠাকরের ‘মারাঠি গর্ব’ প্রচারকেই এখন প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।