আপ নেতার এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এবং অনেকেই সরকারের সমালোচনা করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, এই ধরনের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কারণ এটি সরাসরি সরকারের নীতি ও দায়িত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
.jpg.webp)
ভাইরাল ভিডিও
শেষ আপডেট: 26 October 2025 20:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বায়ু দূষণের নিরিখে রাজধানী দিল্লি প্রত্যেক বছরই শীর্ষস্থানে থাকে। এবারেও তার ব্যতিক্রম নয়। আম আদমি পার্টি ক্ষমতায় থাকাকালীন এই বায়ু দূষণই ছিল বিজেপির প্রধান হাতিয়ার। গত বিধানসভা নির্বাচনে দিল্লির সিংহাসনে বসেছে বিজেপি, আর এবার সেই হাতিয়ার গেছে আপের হাতে। দূষণের ক্রমবর্ধমান মাত্রা নিয়ে পদ্ম শিবিরের তীব্র সমালোচনা করছে কেজরিওয়ালের দল। এবার উঠল এক গুরুতর অভিযোগ। আপ নেতার দাবি, বায়ু সূচকে দূষণের মাত্রা কম দেখাতে 'জালিয়াতি' করছে বিজেপি (AQI Manipulation Allegations)। এই নিয়ে একটি ভিডিও (ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি দ্য ওয়াল) পোস্ট করেছেন তিনি।
দিল্লির প্রাক্তন মন্ত্রী তথা আপের মুখপাত্র সৌরভ ভরদ্বাজ তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, 'বিজেপি সরকার - দূষণের তথ্যের জালিয়াতি। দূষণ এবং AQI রিডিং কমাতে দিল্লির দূষণ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলিতে দিনরাত জল ছিটানো হচ্ছে। এরাই তারাই, যারা দাবি করে যে ইভিএমে কোনও অস্বচ্ছতা নেই। যখন তারা সবকিছুতেই অসৎ, তখন আমরা তাদের কাছ থেকে কী আশা করতে পারি?" সাধারণ মানুষকে সতর্ক করতে তিনি বলেছেন, "যদি ভোটের ইভিএম-এ হেরফের সম্ভব হয়, তবে দূষণ পরিমাপেও তারা কারসাজি (Pollution Data Scandal) করতে পারে।"
Big Expose
भाजपा सरकार - प्रदूषण डाटा फर्ज़ीवाड़ा
दिल्ली प्रदूषण मॉनिटरिंग स्टेशन पर दिन रात पानी का छिड़काँव किया जा रहा है, ताकि प्रदूषण और AQI की रीडिंग कम हो जायें
ये वही लोग हैं जो कहते हैं EVM में कोई बेईमानी नहीं । जब ये हर चीज़ में बेईमानी करते हैं तो इनसे क्या… pic.twitter.com/7ZCR3wLSfT— Saurabh Bharadwaj (@Saurabh_MLAgk) October 25, 2025
যদিও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, জল ছিটানো বা কৃত্রিম ব্যবস্থার মাধ্যমে দূষণের প্রকৃত মান কমানো সম্ভব নয়। দিল্লিতে থাকা মনিটরিং যন্ত্রগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতাসের মান পরিমাপ করে, তাই জলের মাধ্যমে রিডিং প্রভাবিত করা কঠিন। তবে ভিডিওটি রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে এবং জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে।
আপ নেতার এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এবং অনেকেই সরকারের সমালোচনা করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, এই ধরনের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কারণ এটি সরাসরি সরকারের নীতি ও দায়িত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
পরিবেশ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে জনগণ সচেতন হওয়া জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, শুধু সোশ্যাল মিডিয়ার ভিডিও দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। সরকারি তথ্যের পাশাপাশি স্বাধীন উৎস থেকেও তথ্য যাচাই করা উচিত। বর্তমানে ভিডিওটি ভাইরাল হলেও, সরকারি সূত্র থেকে এর সত্যতা এখনও নিশ্চিত হয়নি। পরিবেশ অধিদফতর জানিয়েছে যে, তারা জনগণকে বিভ্রান্ত না করার জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশের কাজ চালাচ্ছে।