
মণিপুর হিংসা
শেষ আপডেট: 26 April 2024 22:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোট শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ফের হিংসা শুরু হল মণিপুরে। সরকারি সূত্রে খবর, শুক্রবার রাজ্যের বিষ্ণুপুর জেলার নারাইনসেনা গ্রামে সিআরপিএফের একটি ব্যারাকে মর্টার হামলা চালানো হয়। তাতে প্রহরারত দু’জন জওয়ান নিহত হন।
দ্বিতীয় ঘটনাটি পূর্ব ইম্ফল জেলার। সেখানে গভীর রাতে সিনাম গ্রামে দুষ্কৃতীরা আগ্নেয়াত্র নিয়ে হামলা চালায়। গুলিতে একজন গ্রামবাসী নিহত হন। ঘটনাচক্রে দুই এলাতেই মৈতেই সম্প্রদায়ের মানুষ সংখ্যাগরিষ্ঠ। মণিপুরে গত বছরের ৩ মে শুরু হওয়া জাতিদাঙ্গায় এখনও পর্যন্ত ১৮০ জনের কাছাকাছি মানুষ নিহত হয়েছেন। বিষ্ণুপুরের লাগোয়া জেলা চূড়াচাঁদপুরে কুকি জনজাতিদের সঙ্গে মৈতেইদের সংঘাতের জেলে জাতিদাঙ্গার সূত্রপাত হয়েছিল।
বিষ্ণুপুরে নিহত সিআরপিএফ জওয়ানদের একজন হলেন সাব ইন্সপেক্টর এন সরকার। আর একজন হেড কনস্টেবল অরূপ সাইনি। পুলিশ জানিয়েছে, মৈত্রেই বহুল নারাইনসেনা গ্রামে গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা গুলি, বোম ছোড়া শুরু করে। একটি শক্তিশালী বোম এসে পড়ে সিআরপিএফ ক্যাম্পে। বোমার আঘাতে দুই জওয়ান ঘটনাস্থলেই মারা যান। তারা ক্যাম্পে রাতের ডিউটিতে ছিলেন।
এদিকে, ৩ মে অর্থাৎ জাতিদাঙ্গার বর্ষপূর্তি যত এগিয়ে আসছে ততই কুকি ও মৈতেইদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে বলে আভাস পাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। পরিস্থিতি আঁচ করে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। কুকিদের একটি গোষ্ঠী ৩ মে কালো দিবস বলে ঘোষণা করেছে।
ওই দিনটিকে সামনে রেখে বদলা নেওয়ার চেষ্টা হতে পারে দু-পক্ষের তরফেই। সরকারি সূত্রে বলা হচ্ছে, নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় থাকাতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মণিপুরে ভোটের প্রচারে যাননি। বিজেপি রাজ্যের দুটি আসনেই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের রেকর্ড বাজিয়ে প্রচার চালিয়েছে।