
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 6 October 2024 17:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অবশেষে ধরা পড়ল উত্তরপ্রদেশের ছয় নম্বর মানুষখেকো নেকড়ে। সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখ বনদফতরে পাতা ফাঁদে ধরা দিয়েছিল বাহরাইচের পঞ্চম নেকড়ে। আর শনিবার গ্রামবাসীরা শেষ নেকরেটিকে ধরে পিটিয়ে মেরে ফেলল।
রাত নামলেই কেউ ভূতে ভয় পান। কেউ আবার চোর ডাকাতে। কিন্তু গত কয়েকমাস ধরে উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচের মানুষের আতঙ্কের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ছয়টি মানুষখেকো নেকড়ে। যাদের ধরতে ২২ টি দল গড়েছিল যোগী সরকার। তাতেও সুরাহা হয়নি। ড্রোন উড়িয়ে, নাইট ভিশন-সহ অত্যাধুনিক সরঞ্জাম দিয়ে নজর রেখে বাকিদের ধরা গেলেও শেষ দু'টি আদমখোর বেশ নাকানি-চোবানি খাইয়েছিল বনদফতরের আধিকারিকদের।
একের পর এক শিশু নিয়ে যাচ্ছিল নেকড়ে দুটো। যাদের ধরতে অভিনব ফাঁদ পেতেছিলেন উত্তপ্রদেশের বনদফতরের আধিকারিকরা। ছোট বাচ্চার মাপের রঙচঙে পোশাক পরা পুতুলে শিশুর মূত্র মাখিয়ে নেকড়েদের আকর্ষণ করার ছক কষা হয়েছিল। যাতে শিশু ভেবে নেকড়েরা তার কাছাকাছি আসে। কিন্তু বাগে আনা যায়নি।
যদিও পরে থাবার পথ ধরে খাঁচা পেতে পঞ্চম নেকড়ে ধরা গেছিল। ষষ্ঠ অর্থাৎ শেষ নেকড়েকে কিছুতেই ধরা যাচ্ছিল না। বহরাইচের ডিভিশনার ফরেস্ট অফিসার অরিজিৎ সিং বলেন, 'শনিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসে, ষষ্ঠ নেকড়েটি ধরা পড়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই এলাকায় পৌঁছন আমাদের আধিকারিকরা। কিন্তু তাঁরা এলাকায় পৌঁছে দেখেন নেকড়েটি মারা গিয়েছে।'
গ্রামবাসীদের কথায়, 'নেকড়েটি রাতে ছাগল ধরতে এসেছিল। তখনই আমরা সেটাকে ধরে ফেলি। ছাগলটা তো মরেই গেছিল, আমরা নেকড়েতাকেও পিটিয়ে মেরে ফেলি।'
যদিও বনদফতর বলছে, পাঁচ নম্বর নেকড়ে ধরা পড়ার পর আর কোনও আক্রমণের ঘটনা সামনে আসেনি। তাই এই নেকড়ে আসলেই মানুষখেকো কিনা সেটা বলা যাচ্ছে না। ঘটনার এফএইআর দায়েরের ভাবনা চিন্তা করছে বনদফতর। তাছাড়াও আলাদা করে নিজেদের মতো তদন্ত চালিয়ে যাবে বলেও জানানো হয়েছে।