১৫ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল করিশ্মা ও হরিশ্চন্দ্রর। দাম্পত্যে ইতি ঘটিয়ে স্ত্রীর 'প্রেমিক' শিবরাজ চৌহানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে দিলেন হরিশ্চন্দ্র। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় স্থানীয় এক মন্দিরে পুরোহিত এবং বহু গ্রামবাসীর সামনেই স্ত্রীর কপাল থেকে সিঁদুর মুছে দেন ওই ব্যক্তি।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 21 June 2025 20:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'বিষ খাইয়ে স্বামী-সন্তানকে মারতে চেয়েছিলেন স্ত্রী', এই অভিযোগ এনেই অন্য পুরুষের সঙ্গে বিয়ে দিলেন উত্তরপ্রদেশের যুবক (UP Man arranged wife's marriage)। তবে পাল্টা স্ত্রীর দাবি, এই বিয়েতে তাঁর মত ছিল না। এই ঘটনায় হতবাক স্থানীয়রাও।
১৫ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল করিশ্মা ও হরিশ্চন্দ্রর। দাম্পত্যে ইতি ঘটিয়ে স্ত্রীর 'প্রেমিক' শিবরাজ চৌহানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে দিলেন হরিশ্চন্দ্র। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় স্থানীয় এক মন্দিরে পুরোহিত এবং বহু গ্রামবাসীর সামনেই স্ত্রীর কপাল থেকে সিঁদুর মুছে দেন ওই ব্যক্তি। এরপর করিশ্মা ও শিবরাজ মালাবদল করে গাঁটছড়া বাঁধেন।
কিন্তু করিশ্মার দাবি, 'এই বিয়েটা আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে হয়েছে। শিবরাজের সঙ্গে আমার কখনও সম্পর্ক ছিল না। হরিশচন্দ্রর সঙ্গে ঝামেলা চলছিল ঠিকই, কিন্তু এভাবে বিয়ে দিয়ে দেওয়া, এটা আমার সঙ্গে অন্যায় হয়েছে।'
অন্যদিকে, স্বামীর অভিযোগ, পরকীয়ার (Extra Marital Affair) কারণে করিশ্মা তাঁকে এবং তাঁদের সন্তানদের বিষ খাইয়ে মেরে ফেলতে চেয়েছিল। তাই নিজেদের প্রাণ বাঁচাতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।
হরিশ্চন্দ্রর দাবি অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার, যখন তিনি তাঁর স্ত্রীকে শিবরাজের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। এরপর গ্রামে একটি সভাও ডাকা হয়। সেখানেও কোনও মীমাংসা না হওয়ায় হরিশচন্দ্র নিজেই মন্দিরে বিয়ের আয়োজন করে ফেলেন।
বিয়ের পরে করিশ্মা তাঁদের মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে চলে যান শিবরাজের সঙ্গে। ছেলে থেকে যায় বাবার কাছে। হরিশচন্দ্র জানিয়েছেন, 'আমি করিশ্মার সঙ্গে আর কোনও সম্পর্ক রাখতে চাই না। আমি ওর থেকে মুক্তি চাই।'
স্থানীয় থানার ইনচার্জ প্রবোধ কুমার জানান, এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষ থেকেই লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।