
মথুরায় 'প্রসাদম'-এর গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন
শেষ আপডেট: 23 September 2024 13:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিরুপতি মন্দিরের লাড্ডু প্রসাদ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। এমন আবহে এবার উত্তর প্রদেশের মথুরা, বৃন্দাবন এবং গোবর্ধন মন্দিরের প্রসাদী প্যাঁড়া নিয়ে শুরু নতুন বিতর্ক। ইতিমধ্যে উত্তর প্রদেশের ওই ৩ মন্দির থেকে প্রসাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন।
সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ডিম্পল যাদব উত্তর প্রদেশের একাধিক মন্দিরের প্রসাদের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, মথুরা, বৃন্দাবনের মতো মন্দিরে প্রসাদী প্যাঁড়ায় ভালো মানের খোয়া ক্ষীর ব্যবহার করা হচ্ছে না। যা দর্শনার্থীদের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। এমন কাণ্ডের জন্য উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও বিজেপিকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ।
মথুরা, বৃন্দাবনের প্রসাদ নিয়ে আগে যে একেবারেই বিতর্ক হয়নি তা কিন্তু নয়। তবে তিরুপতির প্রসাদী লাড্ডু নিয়ে বিতর্কের মধ্যে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে উত্তর প্রদেশের একাধিক তীর্থস্থানের নাম। অভিযোগ, প্রসাদী প্যাঁড়া বানাতে ব্যবহার করা হয় ভেজাল খোয়া ক্ষীর। যা খেলে মানুষের শরীরে ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ে।
যদিও সমাজবাদী পার্টির সাংসদের এমন অভিযোগে নিজেদের পিঠ বাঁচাতে তড়িঘড়ি ময়দানে নামে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। ইতিমধ্যে উত্তর প্রদেশে মথুরা, বৃন্দাবন, গোবর্ধন-সহ একাধিক মন্দির সংলগ্ন দোকান থেকে ১৩ টি প্রসাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলি দ্রুত পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হবে বলে খবর।
তিরুপতি মন্দিরের লাড্ডুতে গরু এবং শুয়োরের চর্বির উপস্থিতি পেতেই শুরু গণ্ডগোল। ল্যাব রিপোর্টেও প্রমাণিত হয়েছে এ কথা। জানা গেছে, লাড্ডু তৈরির জন্য ব্যবহৃত ঘিয়েই আসল গন্ডগোল রয়েছে।
অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু সর্বপ্রথম অভিযোগ তোলেন, তিরুপতির 'প্রসাদম'-এ ব্যবহৃত ঘিতে পশুর চর্বি ও মাছের তেল মিশিয়ে ভেজাল দেওয়া হয়। পূর্বতন ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টির জমানায় এই কাজ হত। কিন্তু চন্দ্রবাবুর দাবি উড়িয়ে পাল্টা তাঁর উপরেই দোষ চাপিয়েছেন ওয়াই এস আর কংগ্রেস প্রধান তথা অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই এস জগন মোহন রেড্ডি।