কিছু এলাকায় আলাদা করে সতর্ক হতে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর, ভারত-পাক সীমান্তের ১০ কিমি এলাকা, মধ্য ও পূর্ব ভারতের কিছু অংশ যেখানে বেশি ঝুঁকি রয়েছে।

শেষ আপডেট: 22 June 2025 08:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্ট ভারতের জন্য ‘লেভেল-২ ট্রাভেল ওয়ার্নিং’ জারি করেছে। অর্থাৎ 'বাড়তি সতর্কতা' অবলম্বন করতে বলেছে। এই সতর্কবার্তাটি দেওয়া হয়েছে 'অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদের' কারণ দেখিয়ে, এবং ভারতের কিছু এলাকা 'উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
কী রয়েছে সেই সতর্কবার্তায়?
উল্লেখ করা হয়েছে, 'ধর্ষণ ভারতে সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া অপরাধগুলির মধ্যে একটি। হিংস্র অপরাধ (বিশেষ করে যৌন অত্যাচার) ট্যুরিস্ট স্পট এবং অন্যান্য জায়গায় ঘটছে। সন্ত্রাসবাদীরা অল্প বা অনেক সময় কোনও সতর্কতা ছাড়াই হামলা চালাতে পারে। তাদের লক্ষ্য হতে পারে পর্যটন এলাকা, পরিবহণ কেন্দ্র, মার্কেট বা মল, সরকারি ভবন।'
এছাড়া সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, গ্রামীণ এলাকায় (যেমন: পূর্ব মহারাষ্ট্র, উত্তর তেলঙ্গানা থেকে এদিকে পূর্ব পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত) আমেরিকার পক্ষে সুবিধাজনক হস্তক্ষেপের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এসব এলাকায় আমেরিকার সরকারি কর্মীদের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে যাতায়াত করতে হবে।
আরও বলা হয়েছে, ‘স্যাটেলাইট ফোন বা জিপিএস ডিভাইস সঙ্গে থাকা যেহেতু ভারতে আইনত অপরাধ, সেক্ষেত্রে ২ লক্ষ ইউএস ডলার জরিমানা বা তিন বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। তাই বিশেষ করে মহিলারা একা কোথাও যাওয়া নিষেধ’, এটা স্পষ্টভাবে ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে।
আরও কিছু এলাকায় আলাদা করে সতর্ক হতে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর, ভারত-পাক সীমান্তের ১০ কিমি এলাকা, মধ্য ও পূর্ব ভারতের কিছু অংশ যেখানে বেশি ঝুঁকি রয়েছে।
বিহার, ঝাড়খণ্ড, ছত্তীসগড়, পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় এবং ওড়িশার নাম উল্লেখ রয়েছে ওই সতর্কবার্তায়। বলা হয়েছে, আমেরিকার সরকারি কর্মীদের এইসব এলাকায় যেতে হলে আগে থেকে অনুমোদন নিতে হবে, তবে শুধুমাত্র রাজ্যের রাজধানী শহরে গেলে অনুমতি লাগবে না।
আর একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ, ‘পূর্ব মহারাষ্ট্র, পূর্ব মধ্যপ্রদেশ-সহ ভারত-নেপাল সীমান্ত অতিক্রম করা যাবে না’। কারণ ওখানে ‘ইমিগ্রেশন-সংক্রান্ত আটক এবং জরিমানার ঝুঁকি’ রয়েছে। মণিপুর, এবং উত্তর-পূর্বের নির্দিষ্ট রাজ্যগুলির কথাও বলা হয়েছে ওই নতুন ভ্রমণ অ্যাডভাইসরিতে।