এদেশ থেকে আলফান্সো, কেসর, বেগমপল্লি, হিমায়ত, রসপুরী, ল্যাংড়া, চৌসা ও দশেরি জাতের আম রফতানি হয় বহু বছর ধরে।

ভারতে এসে আম খেয়ে দেখেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শেষ আপডেট: 21 May 2025 14:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এবার আমেরিকার পথে গড়াগড়ি খেতে চলেছে ভারতে বহুমূল্যে বিক্রিত রকমারি আম। আমেরিকার কর্তৃপক্ষ নানান অজুহাতে ১৫টি রফতানিকৃত আমের সম্ভার লস এঞ্জেলস, সান ফ্রান্সিসকো ও আটলান্টা বিমানবন্দর সহ বিভিন্ন বিমানবন্দরে আটকে রেখেছে। আমেরিকার বক্তব্য, এইসব রফতানির নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মানা হয়নি, তাই এই বিপুল পরিমাণ আম দেশে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। ফলে অতি সহজে পচনশীল প্রায় ৫০০,০০০ মার্কিন ডলারের আম নষ্ট হওয়ার সময় গুনছে।
এর ফলে ভারতীয় রফতানিকারকরা এক বিশাল পরিমাণ ক্ষতির মুখোমুখি। হয় তাঁদের আমেরিকাতেই এই আমের বাক্স ফেলে দিতে হবে। নয়তো এগুলোকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে, যার আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি। যে কারণে অধিকাংশ ব্যবসায়ী সেদেশেই আম নষ্ট করে রাস্তা বেছে নিতে চলেছেন বলে জানা গিয়েছে।
ভারতের আম রফতানির প্রধান মুখ হচ্ছে আমেরিকা। এদেশ থেকে আলফান্সো, কেসর, বেগমপল্লি, হিমায়ত, রসপুরী, ল্যাংড়া, চৌসা ও দশেরি জাতের আম রফতানি হয় বহু বছর ধরে। এহেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের আমদানি বাণিজ্য বিভাগ নথি প্রক্রিয়াগত ভুল ধরে রফতানি আটকে দেওয়ায় দুদেশের বাণিজ্যনীতির ক্ষেত্রে বিশেষ ইঙ্গিত বহন করছে। ব্যবসায়ীদের অনুমান, এর ফলে তাঁদের প্রায় ৫ লক্ষ ডলারের ক্ষতি হবে। কারণ পাঠিয়ে দেওয়া আম দেশে ফেরত আনার খরচও বিরাট ও তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
আম রফতানির জন্য প্রয়োজন একটি সার্টিফিকেটের। ইউএসডিএ জানিয়েছে, মার্কিন কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন বিভাগ পিপিকিউ২০৩ শীর্ষক ওই কাগজ না দেখাতে পারায় তা দেশের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। নোটিসে তারা উল্লেখ করেছে, হয় এইসব আম সেদেশেই নষ্ট করে ফেলতে হবে। অথবা ফের চালান করতে হবে। নোটিসে স্পষ্টত এও বলা আছে যে, মার্কিন প্রশাসন এর জন্য কোনও ক্ষতিপূরণ বা খরচ বহন করবে না।