Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: ‘তাহলে আমার তত্ত্ব ভুল ছিল না!’ বৈভবের বিরল ব্যর্থতা দেখে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ইরফানের I PAC: ৫০ কোটির বেআইনি লেনদেন, আই প্যাক ডিরেক্টর ভিনেশের বিরুদ্ধে ৬ বিস্ফোরক অভিযোগ ইডিরWest Bengal Election 2026 | ‘৫০-আসন জিতে তৃণমূলকে ১৫০-আসনে হারাব’ মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত

আমেরিকায় কোমাচ্ছন্ন ভারতীয় ছাত্রীর পরিবারকে ভিসা মঞ্জুর

মহারাষ্ট্রের সাতারার বাসিন্দা ৩৫ বছরের এই ছাত্রী পথ দুর্ঘটনায় জখম হয়ে কোমায় চলে গিয়েছেন।

আমেরিকায় কোমাচ্ছন্ন ভারতীয় ছাত্রীর পরিবারকে ভিসা মঞ্জুর

নীলম শিন্ডে। ফাইল ছবি।

শেষ আপডেট: 28 February 2025 11:10

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার সকালে আমেরিকার হাসপাতালে কোমায় আচ্ছন্ন ভারতীয় ছাত্রী নীলম শিন্ডের পরিবারকে জরুরিকালীন ভিসা মঞ্জুর করল মার্কিন দূতাবাস ও অভিবাসন দফতর। মহারাষ্ট্রের সাতারার বাসিন্দা ৩৫ বছরের এই ছাত্রী পথ দুর্ঘটনায় জখম হয়ে কোমায় চলে গিয়েছেন। এই অবস্থায় ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের অনুরোধে নীলমের পরিবারকে এদিন সকাল ৯টার সময় সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হয়েছিল। সেখানেই তাঁদের পরিবারকে জরুরি ভিসার অনুমতি দেওয়া হয়।

গত কয়েকদিন ধরেই নীলমের পরিবারের তরফে দেশের বিদেশমন্ত্রক ও আমেরিকার অভিবাসন দফতরে তদ্বির, ছোটাছুটি করা হচ্ছিল। শেষমেশ এদিন সকালে মানবিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে ও দুদেশের সম্পর্ক মজবুত করার লক্ষ্যে নীলমের পরিবারকে ভিসা দেয় আমেরিকা। যার ফলে নীলমের বাবা, তুতো ভাই এবং এক কাকা আমেরিকাগামী পরবর্তী বিমান ধরতে পারবেন।

নীলমের তুতো ভাই এনডিটিভিকে বলেন, ভিসা সাক্ষাৎকার অত্যন্ত সহজেই হয়ে যায়। আমরা ভিসার কপি প্রিন্টেড আকারে পেয়ে গিয়েছি। আমেরিকায় যাওয়ার পরবর্তী বিমান ধরছি আমরা। আমরা সংবাদমাধ্যম, একনাথ শিন্ডে এবং সুপ্রিয়া সুলের কাছে কৃতজ্ঞ থাকব। তিনি আরও বলেন, হঠাৎ করে আমেরিকা যাওয়ার জন্য আমাদের ৫-৬ লক্ষ টাকা ধার করতে হবে। আর্থিকভাবে সরকার যদি আমাদের কিছু সাহায্য করে তাহলে খুব উপকার হয়। আমরা এখনও জানি না, হাসপাতালের বিল কত হয়েছে বা হতে পারে।

নীলমের ওই ভাই আরও বলেন, আমরা প্রথম যখন অভিবাসন দফতরে এসেছিলাম, কেউ আমাদের কোনও কথাই শুনতে চাইছিল না। আমাদের বের করে দিতে পুলিশ ডাকার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। আমরা তো ভেবেছিলাম নীলমকে আর কোনওদিন দেখতেই পাব না। কেন্দ্রের কাছ তাঁর আর্জি, এই সমস্ত ক্ষেত্রে ভিসা প্রক্রিয়া সহজে করার জন্য কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি। এই মুহূর্তে নীলমের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে তিনি জানান। তবে এখনও তিনি কোমায় রয়েছেন এবং মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে চলেছেন বলে জানান ভাই।

বৃহস্পতিবারই ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের অনুরোধকে মর্যাদা দিয়ে আমেরিকায় গাড়ি দুর্ঘটনায় জখম কোমাচ্ছন্ন ভারতীয় ছাত্রীর পরিবারকে ভিসা সাক্ষাৎকারের অনুমতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার, সকাল ৯টায় জরুরি ভিত্তিতে ভিসা অনুমোদনের জন্য সাক্ষাৎকারের সময় দেওয়া হয় মহারাষ্ট্রের সাতারার বাসিন্দা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঠরত এমএসসি ছাত্রী নীলম শিন্ডের পরিবারকে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ায় এক গাড়ি দুর্ঘটনায় জখম হয়ে ৩৫ বছরের এই ছাত্রী বর্তমানে সেখানকার হাসপাতালে কোমায় রয়েছেন। 

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে বিদেশ মন্ত্রক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নীলম শিন্ডের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে জরুরি ভিসা অনুমোদনের আর্জি জানায়। সেই অনুরোধে সাড়া দিয়ে মার্কিন অভিবাসন মন্ত্রকের তরফে ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় দেওয়া হয় ওই ছাত্রীর বাবাকে। ছাত্রীর বাবা সহ পরিবারের তরফে সরকারের কাছে হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন জানানো হয়। তারপরেই সেই ডাকে সাড়া দেয় এস জয়শঙ্করের মন্ত্রক।

দুর্ঘটনার পর গাড়ি চালককে গ্রেফতার করে ক্যালিফোর্নিয়ার পুলিশ। দুর্ঘটনার দুদিন পর শিন্ডের পরিবারকে খবরটি দিয়েছিলেন তাঁরই ঘরে থাকা এক বন্ধু। পরিবার সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের তরফে রোজ ফোন ও মেলে চিকিৎসার বিষয় জানানো হলেও তাঁর কাছে বাড়ির কারও থাকাটা জরুরি। হাসপাতালের পক্ষ থেকেও বাড়ির লোককে দ্রুত চলে আসার অনুরোধ জানানো হয়। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই নীলমের মা মারা গিয়েছেন। এই অবস্থায় মেয়ের মরণবাঁচন দশায় তাঁর কাছে যেতে চান বাবা।


```