
তেলঙ্গানার শ্রীশৈলম বাঁধের জলসেচ সুড়ঙ্গ
শেষ আপডেট: 22 February 2025 15:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তেলঙ্গানার শ্রীশৈলম বাঁধের জলসেচ সুড়ঙ্গ খোঁড়ার সময় একাংশ ভেঙে পড়ে অন্তত ৩০ জন শ্রমিক-কর্মী ভিতরে আটকে পড়েছেন। বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে। শনিবার দুপুরে আচমকাই জলসুড়ঙ্গ কাজ চলাকালীন পাহাড়ি নদীবাঁধের বাম কিনারার দিকের একাংশ ধসে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু হলেও ঠিক কতজন আটকে রয়েছেন তা এখনও জানা যায়নি। শ্রীশৈলম বাঁধের একটি খাল বরাবর এই কাজ চলার সময় নাগরকুর্নুল জেলায় এই বিপত্তি ঘটে।
খরাপ্রবণ এলাকায় কৃষিকাজে জলসেচের সুবিধায় বাঁধের একদিকে পাহাড় ফুটো করে সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ চলছিল। ১৪ কিমি সুড়ঙ্গের প্রায় ৩ কিমি ধসে পড়েছে বলে সূত্রে জানা গিয়েছে। আটকে পড়া কর্মীদের উদ্ধারে বিভিন্ন বাহিনী যৌথভাবে কাজ করছে। রাজ্য সেচ দফতরের আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছেন।
তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি তাঁর দফতরের মন্ত্রী উত্তমকুমার রেড্ডিকে উদ্ধারকাজ তদারকিতে পাঠিয়েছেন। তিনি এই ঘটনায় অত্যন্ত বেদনাহত বলে জানিয়ে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, দমকল, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প কর্তৃপক্ষ ও সেচ দফতরকে সমন্বয় রক্ষা করে দ্রুত উদ্ধারে নেমে পড়তে বলেছেন।
এদিকে, সুড়ঙ্গের ছাদ ধসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্য রাজনীতিতে এনিয়ে জলঘোলা শুরু হয়ে গিয়েছে। এই বিপর্যয়ের জন্য সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডিকে দায়ী করেছে বিরোধী দল ভারত রাষ্ট্র সমিতি। দলের কার্যকরী সভাপতি এবং বিধায়ক কেটি রামা রাও বলেন, এর কয়েকদিন আগেই নাগার্জুন সাগর বাঁধের সুনকিশলা নির্মীয়মাণ কূপেরও ভিতরের দেওয়াল ধসে পড়েছিল। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে তিনি বলেন, এই সরকার দুর্নীতির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে। ঠিকাদারদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নির্মাণকাজের মানের অবনমন ঘটিয়েছে। কমিশনের লোভে নিরাপত্তা নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। অবিলম্বে সুড়ঙ্গ ধসের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন রামা রাও।