
শেষ আপডেট: 3 October 2023 14:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতায় যেমন ধর্মতলায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ হয় দিল্লিতে তেমনই যন্তরমন্তর। এখানেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিকে ঘিরে বছরভরই দিল্লি পুলিশের উপস্থিতি নজরে পড়ে। তবে আর পাঁচটা দিনের চেয়ে মঙ্গলবারের যন্তরমন্তর যেন সবদিক থেকেই ভিন্ন।
সেখানে হাজির হয়েছেন বাংলা থেকে যাওয়া কয়েক হাজার মানুষ। রয়েছেন তৃণমূলের সাংসদ, বিধায়ক, মন্ত্রী থেকে পঞ্চায়েত স্তরের নেতৃত্ব, কর্মীরাও। একশ দিন সহ বিভিন্ন প্রকল্পে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার দুপুরে যন্তরমন্তরে তৃণমূলের মেগা সমাবেশ। প্রধান বক্তা, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সভা শেষে বিকেলে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
ইতিমধ্যে সভাস্থলে হাজির হয়েছেন তৃণমূলের নেতা, কর্মীরা। আর এই সভাকে ঘিরেই দিল্লি পুলিশের নিরাপত্তার বহর রীতিমতো চোখে পড়ার মতো। বিশাল পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে তৈরি রয়েছে ব়্যাফ। আনা হয়েছে জলকামানও। এমনকী অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তার মোকাবিলায় লাঠিচার্জের বন্দোবস্তও রাখা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
বস্তত, সোমবার রাজঘাটে তৃণমূল সাংসদদের শান্তিপূর্ণ ধর্না কর্মসূচিতে মহিলাদের ধাক্কাধাক্কি করার অভিযোগে সরব হয়েছিলেন অভিষেক। এমনকী রাজঘাটের বাইরে অভিষেকের সাংবাদিক বৈঠকের মাঝেও বারে বারে হুইসেল বাজিয়ে বিরক্ত করার অভিযোগ উঠেছিল দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় বলেও অভিযোগ।
ওই ঘটনার পরই দিল্লি পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে অভিষেক জানিয়েছিলেন, “আমাদের নেতৃত্বর গায়ে হাত পড়লে তবু মেনে নেব। কিন্তু, মঙ্গলবার যদি একটা সাধারণ মানুষ, জব কার্ড হোল্ডারদের গায়ে আঁচড় পড়ে তার ফল খারাপ হবে। বিজেপি যে ভাষা বোঝে সেই ভাষায় উত্তর দিতে জানি।”
দিল্লি পুলিশের তরফে অবশ্য সোমবারের পরিস্থিতির জন্য তৃণমূলকে দায়ী করে জানানো হয়েছে, ওই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতেই বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দিল্লির স্থানীয় মানুষ অবশ্য বলছেন, বহুদিন পর এমন আঁটসাঁট নিরাপত্তা দেখল রাজধানী।