
স্মৃতি ইরানি ও কেজরিওয়াল
শেষ আপডেট: 8 February 2025 16:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: "নিজেকে সামাজ সংস্কারের অগ্রদূত হিসেবে তুলে ধরা, ভারতের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদদের একজনকে পরাজিত করেছে জনগন। এখন মানুষ তাঁকে 'মুক্ত' করেছেন জেলে পাঠানোর জন্য।" বিজেপি দিল্লি দখলের পরপরই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আক্রমণ করলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি।
শনিবার ভোটগণনার দু'ঘণ্টার মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যায় ভোটারদের মনের কথা কী! দুর্নীতি ঝেঁটিয়ে বিদেয় করার যে স্বচ্ছতার ঝাঁটা হাতে দেশের রাজনীতিতে প্রবেশ করে দিল্লির রাজনীতি থেকে কয়েক দশক ধরে বিরাজমান কংগ্রেসকে ধূলিকড়িহীন করে ছেড়েছিলেন কেজরি, সেই দুর্নীতিরই 'মাফলার' গলায় জড়িয়ে এদিন বিধানসভা থেকেই বিদায় নিলেন আন্না হাজারের মানসপুত্র মাফলারম্যান।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্না হাজারের লড়াইকে হাতিয়ার করেই নিজের রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কিন্তু এখন আন্না মনে করছেন, কেজরিওয়াল নিজের মূল নীতি থেকেই সরে গেছেন। তাঁর স্পষ্ট কথা, 'টাকার ক্ষমতায় বুঁদ হয়ে গেছিলেন কেজরিওয়াল, শুধু মদের ওপরই নজর ছিল। আমি ওঁকে অনেকবার বোঝানোর চেষ্টাও করেছিলাম, কিন্তু তিনি আমার কথার গুরুত্ব দেননি।'
চলতি আপ সরকারের পতনের সূত্রপাত আবগারি দুর্নীতি মামলা থেকেই চূড়ান্তভাবে লেখা শুরু হয়। যদিও পরে চাপে পড়ে আপ সরকার এই আইন প্রত্যাহার করে নেয়। কিন্তু ততদিনে দুর্নীতির জোব্বা গায়ে চড়ে গিয়েছে খোদ মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল, মণীশ সিসোদিয়া ও আরও অন্য নেতৃত্বের গায়ে। যার জেরে দীর্ঘ জেলবাস করতেও হয় নেতাদের।
কোটি কোটি টাকার এই দুর্নীতির অভিযোগ ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের বিরুদ্ধেও উঠেছিল। কিন্তু, তার কেলেঙ্কারি দলের শিকড় পর্যন্ত না পৌঁছাতে পারায় জেএমএমের তরী ডুবল না, কিন্তু আপ সেই সুনামিতে ভেসে গেল।