Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিহারে ধাক্কা খেলেন নীতীশ ‘পিছড়েদের’ জন্য ৬৫ শতাংশ সংরক্ষণ বাতিল করে দিল পাটনা হাইকোর্ট

বিহারে তফসিলি, আদিবাসী এবং ওবিসি’দের জন্য রাজ্য সরকারের নয়া সংরক্ষণ কোটা বাতিল করে দিল পাটনা হাই কোর্ট।

বিহারে ধাক্কা খেলেন নীতীশ ‘পিছড়েদের’ জন্য ৬৫ শতাংশ সংরক্ষণ বাতিল করে দিল পাটনা হাইকোর্ট

নীতীশ কুমার

শেষ আপডেট: 20 June 2024 12:52

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারে তফসিলি, জনজাতি এবং পিছড়ে তথা অনগ্রসর এবং অতি পিছড়ে তথা অতিশয় অনগ্রসরদের জন্য রাজ্য সরকারের নয়া সংরক্ষণ বাতিল করে দিল পাটনা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালত বলেছে, যেভাবে এই সংরক্ষণ কার্যকর করা হয়েছে তা বেআইনি। সুপ্রিম কোর্টের রায় রয়েছে, সংরক্ষণ ৫০ শতাংশের বেশি হওয়া যাবে না। ওই রায় বহাল থাকা সত্ত্বেও কী করে রাজ্য সরকার নয়া সংরক্ষণ চালু করেছিল, সে প্রশ্ন তুলেছে উচ্চ আদালত।

নীতীশ কুমার সরকার গত বছর রাজ্যে জাতি গণনা করিয়ে পিছিয়ে থাকা অংশের জন্য নয়া সংরক্ষণ চালু করে। সংরক্ষণ ৫০ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ৬৫ শতাংশ করা হয়। জাতি গণনায় জানা গিয়েছিল রাজ্যের ৬৫ শতাংশ মানুষ আর্থিকভাবে পিছিয়ে। তাদের আর্থ-সামাজিক বৈষম্য থেকে রক্ষা করতে সরকারি চাকরি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণের পরিমাণ ১৫ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। জাতি গণনার রিপোর্ট হাতে আসার মাস খানেকের মধ্যেই সংরক্ষণ বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিহার সরকার। 

সংরক্ষণের ওই নীতি কার্যকরের সময় নীতীশ ছিলেন আরজেডি-র নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক। সংরক্ষণ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে লালুপ্রসাদের দলেরও সমান যোগদান ছিল। নয়া সংরক্ষণ কার্যকরের পর শিবির বদলে ফের বিজেপির হাত ধরেন জেডিইউ নেতা। আগামী বছরের নভেম্বরে বিহার বিধানসভার ভোট হওয়ার কথা। তার আগে সংরক্ষণ নিয়ে জটিলতা কাটাতে না পারলে নীতীশকে বড় ধরনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

সদ্য অনুষ্ঠিত লোকসভা ভোটে বিহারের রাজনীতিতে অধুনা ‘পাল্টুরাম’ বলে খ্যাত নীতীশের দলের ভাল ফলের নেপথে পিছড়েদের জন্য সংরক্ষণের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টি বড় ভূমিকা নিয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করেন। ওই নীতির ফলে মুসলিমরাও উপকৃত হয়েছে। বাংলার মতো বিহারের ওবিসি তালিকাতেও মুসলিমদের বিভিন্ন সম্প্রদায়কে অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। ফলে সংরক্ষণের সুবিধা মুসলিমরাও পাচ্ছিলেন। সেই কারণে মুসলিমদের একাংশের ভোট এবার নীতীশ পেয়েছেন বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অভিমত। সেই সুবিধা আদালত বাতিল করে দেওয়ায় রাজনীতির ভবিষ্যৎ কোন খাতে বইবে তা নিয়ে নয়া সংশয় তৈরি হল।

হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট মামলায় কোটা বাতিলের কথা জানিয়ে বলেছে, রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ম বিরুদ্ধ। প্রসঙ্গত, বিহারের আগে ঝাড়খণ্ড, ছত্তীসগড়ের মতো অনেক রাজ্য সংরক্ষণ ৬৫ শতাংশ করতে বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ করিয়ে রেখেছে। সুপ্রিম কোর্টের রায় এড়িয়ে বাড়তি কোটা বলবৎ করতে হলে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন। বিহার সরকার সেই পথে না হেঁটে রাজ্য মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব পাশ করিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল।


```