1.jpeg)
পরবর্তী সভা বসবে আগামিকাল, শুক্রবার বেলা ১১টায়।
শেষ আপডেট: 28 November 2024 12:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিরোধীদের প্রবল আপত্তির মধ্যে বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল পেশের সময়সীমা পিছিয়ে গেল। বৃহস্পতিবার ওয়াকফ বিল সংক্রান্ত যৌথ সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান, তথা বিজেপি নেতা জগদম্বিকা পাল কমিটির মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব আনেন লোকসভায়। সেই প্রস্তাব সভায় গৃহীত হওয়ায় আগামী বছর ২০২৫ সালের বাজেট অধিবেশনের শেষ পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি ঘটল কমিটির। একইসঙ্গে এদিন দফায় দফায় আদানি ইস্যুতে হই-হট্টগোল পাকায় দুপুর ১২টার পরেও সভা অচল করে দেয় কংগ্রেস সহ বিরোধীরা। ফলে দুই সভাই মুলতুবি করে দেওয়া হয়। পরবর্তী সভা বসবে আগামিকাল, শুক্রবার বেলা ১১টায়।
এদিনই গান্ধী পরিবারের তিন সদস্য সংসদে প্রবেশ করলেন। লোকসভা অধিবেশনের শুরুতেই লোকসভা সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। মা সনিয়া গান্ধী রাজ্যসভার এবং দাদা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধী লোকসভার বেঞ্চে বসলেন। কয়েক দশকের ব্যবধানে নেহরু-গান্ধী পরিবারের চতুর্থ প্রজন্ম একসঙ্গে সংসদের সদস্য হলেন এদিন।
কেরলের ওয়ানাড় কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়ী প্রিয়ঙ্কা এদিন দক্ষিণী রাজ্যের পরম্পরাগত ঘিয়ে রঙের কাসাভু শাড়ি পরে হাতে সংবিধান নিয়ে শপথ নেন। উল্লেখ্য, রাহুল গান্ধীও শপথ নেওয়ার সময় হাতে সংবিধান নিয়েছিলেন। মায়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন ছেলে রাইহান বঢরা এবং মিরায়া বঢরা। ছিলেন স্বামী রবার্ট বঢরাও। শপথের আগে মায়ের সঙ্গে সংসদে আসেন তিনি। বাড়ি থেকে বেরনোর সময় ১০ জনপথের সামনে কংগ্রেস সদস্যরা মিষ্টি বিতরণ করে উৎসব পালন করেন। সংসদে ঢোকার সময় প্রিয়ঙ্কা বলেন, আমি আজ খুব খুশি।
অন্যদিকে, আগের দুদিনের মতো এদিনও সংসদ শুরুর মুখেই শাসক দল তুমুল বিরোধিতার মুখে পড়ে। আদানি ইস্যুতে এদিনও কংগ্রেস আলোচনার দাবি তোলে। তা নিয়ে লোকসভা ও রাজ্যসভা উত্তাল হয়ে ওঠে। কিন্তু, আদানি ইস্যু নিয়ে সংসদ অচল করে দেওয়ার কৌশলে রাজি নয় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। সংসদের চলতি শীত অধিবেশনে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যসভা ও লোকসভায় সাধারণ মানুষের ইস্যুগুলিকেই তুলে ধরবে।
অর্থাৎ কংগ্রেসের মতো কেবলমাত্র আদানি ইস্যুকে কেন্দ্র করে সংসদের দুই কক্ষ অচল করার পক্ষপাতী নয় রাজ্যের শাসকদল। ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম শক্তি তৃণমূলের সংসদীয় বৈঠকে ঠিক হয়েছে, দল সাধারণ মানুষের ইস্যুগুলি তুলে ধরে আলোচনা চাইবে। যেমন রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনা, মণিপুর ইত্যাদি। সুতরাং, আদানি ইস্যুতে যে কংগ্রেস জোটের অন্যতম মুখ তৃণমূলকে পাশে পাচ্ছে না, তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।