
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 4 October 2024 13:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিজেরই ১৩ বছরের বোনকে ধর্ষণ করেছে ১৬ বছরের দাদা। আর তাতেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। তারপরই গোটা বিষয়টা জানাজানি হতে নিজের ছেলের বিরুদ্ধে থানায় গেলেন মা। অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই ওই কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।
গুজরাতের সুরাতের এহেন ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পুলিশের বক্তব্য, বেশ কয়েকদিন আগেই ওই কিশোরী পেটের যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। তারপর তার মা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই চিকিৎসকরা বলেন, কিশোরী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। যা শুনে অবাক হয়ে যান কিশোরীর মা।
ঘটনাটা কী জানতে চাওয়ায় অষ্টম শেণির ওই কিশোরী স্বীকার করে নেয় সে ধর্ষণের শিকার। জানায়, দাদা তাকে জোর করে দু-দু'বার ধর্ষণ করেছে। সবটা শুনেই নিজের ছেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মা।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, কিশোরীর বাবা-মা দিনমজুরের কাজ করেন। প্রতিদিন ছেলে-মেয়েকে বাড়িতে রেখে কাজে বেরিয়ে যান। গোটা দিন একাই থাকে ভাই-বোন। সেই সুযোগ নিয়েই একা পেয়ে বোনকে ধর্ষণ করে দাদা।
কিশোরী তার বাবা-মাকে জানিয়েছে, বেশ কয়েক মাস আগেই যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব দেয় দাদা। কিন্তু সে রাজি হয়নি। আর তাই জোর-জবস্তি দু'বার ধর্ষণ করে সে।
কিশোরী আরও জানায়, তার দাদা হুমকি দিয়ে বলেছিল, যদি কেউ কিছু জেনে যায় তাহলে তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। সেই জন্যই প্রাণের ভয়ে এসব কথা বাবা-মাকে বলতে পারেনি সে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় পকসো আইনে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।