
সংগৃহীত ছবি
শেষ আপডেট: 28 February 2025 12:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কথায় আছে সমাজের ভিত্তি যদি শিক্ষা হয়, তাহলে তার রক্ষক শিক্ষক। তাকে লালন পালন করা ও সকলকে সেই শিক্ষার আলোয় নিয়ে আসা তাঁদের ধর্ম। শিক্ষা-সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করাতে গিয়ে অনেকসময়ই তাঁদের শাসন করতে হয়, বোঝাতে হয়, সঠিক পথে চালিত করার চেষ্টা করতে হয়। শিক্ষক বললেই এই কথাগুলোই সর্বপ্রথম মাথায় আসে। কিন্তু যদি শিক্ষক যদি হঠাৎ পাল্টে যান। ধরুন আপনি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পেয়ে নাকানিচোবানি খাচ্ছেন, আপনার শিক্ষক সেটা বলে দিলেন। আপনি চমকে যাবেন তো! এভাবেই চমকে গেছে নেটপাড়াও। বাস্তবে এমন শিক্ষিকারই একটি ভিডিও ভাইরাল হল।
ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলার। রেকর্ড করা হয়েছে ফেব্রুয়ারির ২৫ তারিখ। কোনও একটি স্কুলে পরীক্ষা চলছিল। অঙ্ক পরীক্ষার দিন প্রশ্নপত্র হাতে পেয়েই ক্লাসের ব্ল্যাকবোর্ডে তা সলভ করে দেন প্রাইমারি শিক্ষক সঙ্গীতা বিশ্বকর্মা। অঙ্ক কষার সময় কেউ ভিডিও করেন এবং পরে তা ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অভিযোগ ওঠে, তিনি পরীক্ষার্থীদের টুকলি করতে সাহায্য করছিলেন।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তেই তা প্রশাসনের নজরে আসে। বেতুলের কালেক্টর নরেন্দ্র কুমার সূর্যবংশী তদন্তের নির্দেশ দেন। খোঁজ শুরু হয়। দ্রুত পদক্ষেপ করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। সাসপেন্ড করা হয় ওই শিক্ষিকাকে।
এনিয়ে ট্রাইবাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার শিল্পা জৈন বলেন, 'একটি পরীক্ষাকেন্দ্রের ইনভিজিলেটর হিসেবে সঙ্গীতা বিশ্বকর্মাকে নির্বাচন করা হয়েছিল। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। টুকলি করার শিক্ষা সকলকে দিয়েছেন। সাসপেন্ড করা হয়েছে।'
তিনি আরও বলেন, 'এর পাশাপাশি ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। যদি আরও কোনও তথ্য পাওয়া যায় বা আরও কোনও অভিযোগ উঠে আসে তাহলে সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে।'
শুধু শিক্ষিকাই নন এমন কাজের জন্য সেন্টার হেড ও অ্যাসিস্ট্যান্ট সেন্টার হেডের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মধ্যপ্রদেশ শিক্ষাবিভাগের তরফে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উদ্দেশে নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে।