
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 19 July 2024 15:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেশ কয়েক বছর ধরে অসুস্থ ছিলেন তরুণী। অনেক চিকিৎসককে দেখিয়েও কোনও লাভ হয়নি। শেষমেশ এক তান্ত্রিকের কাছে নিয়ে যায় পরিবার। সেই তান্ত্রিকের বিরুদ্ধে চিকিৎসার নামে তরুণীর মাথায় ১৮টি সূচ গেঁথে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। ওড়িশার বালানগির জেলার এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রের খবর, ১৯ বছরের ওই তরুণী দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। তরুণীর পরিবারের দাবি, নানা চিকিৎসককে দেখিয়েও মেয়ের শরীর ভালো হচ্ছিল না। তাই পরিচিত কয়েকজনের পরামর্শে তাঁরা সন্তোষ রানা নামে ওই তান্ত্রিকের দ্বারস্থ হয়। আর সেই তান্ত্রিকই নাকি ঝাড়ফুঁক এবং চিকিৎসার নামে নৃশংস কাণ্ড করেন বলে অভিযোগ।
তরুণীর বাবা জানিয়েছেন, তান্ত্রিক তাঁদের মেয়েকে একটি ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। ঘণ্টাখানেক বাদে বেরিয়ে আসেন তরুণী। তখন যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন তিনি । তখনই তরুণীর বাবা দেখতে পান যে মেয়ের মাথায় সূচ গাঁথা রয়েছে। প্রায় আটটি সুচ মেয়ের মাথা থেকে তুলে ফেলেন তিনি। কিন্তু অস্বস্তি কমেনি। উল্টে ক্রমশ তরুণীর অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এরপর তরুণীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সিটি স্ক্যানে ধরা পড়ে যে তরুণীর মাথার ভিতরে গেঁথে রয়েছে ১০টি সূচ।
কিন্তু কীভাবে সুচ গেঁথে দিল ওই তান্ত্রিক? তরুণী তাঁর বাবাকে জানিয়েছেন, ঝাড়ফুঁকের সময় তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন। সম্ভবত সেই সুযোগই নেয় তান্ত্রিক। তবে কীভাবে তাঁর মাথায় সুচ গাঁথা হল তা তিনি টের পাননি।
তান্ত্রিকের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তরুণীর বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।