শনিবার বিকেল ৫টা থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে ভারত-পাকিস্তান। সেই দিনই জানান হয়েছিল, আগামী ১২ তারিখ দুপুর ১২টায় দুই দেশের ডিজিএমও বৈঠক করবেন।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 12 May 2025 14:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার বিকেল ৫টা থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে ভারত-পাকিস্তান। সেই দিনই জানান হয়েছিল, আগামী ১২ তারিখ দুপুর ১২টায় দুই দেশের ডিজিএমও বৈঠক করবেন। কিন্তু অজানা কারণে সেই বৈঠকের সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, সোমবার বিকেল বা সন্ধেবেলা হবে এই বৈঠক। তবে সময় নিশ্চিত করা হয়নি।
বৈঠকের আগে এদিন সকালেই দিল্লিতে নিজের বাসভবনে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) জেনারেল অনিল চৌহান এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা। পাশাপাশি ছিলেন ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার অজিত ডোভাল, বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি, গোয়েন্দা ব্যুরোর প্রধান তপন ডেকা এবং রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং (RAW)-এর প্রধান রবি সিনহাও। অনুমান করা হচ্ছে, দুই দেশের মধ্যে বৈঠকে কী আলোচনা হতে পারে, তা নিয়েই কথোপকথন হয়েছে।
২২ এপ্রিল পহেলগামে জঙ্গি হামলার পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত করে ভারত। তারপরই যুদ্ধবিরতি (Ceasefire) লঙ্ঘন করে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গুলি চালাতে শুরু করে পাক সেনা (Pakistan Army)। পাল্টা প্রত্যাঘাত স্বরূপ গত মঙ্গলবার পাক অধীকৃত কাশ্মীরে ঢুকে নয় জঙ্গি ঘাঁটি দুরমুশ করে ভারতীয় সেনা। শুরু হয় আক্রমণ, প্রতিরোধ ও পাল্টা আক্রমণ। কয়েকদিন ধরে চলা এই টানা সংঘাত এবং বাড়তে থাকা উত্তেজনা শিথিল করতে শনিবার ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হয়।
ভারতের তরফে জানান হয়েছিল, শনিবার বিকেল ৩টে ৩৫ মিনিটে পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশন্স (ডিজিএমও) ভারতের ডিজিএমও-কে ফোন করেন। সেই ফোনালাপে দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি জানায়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের তরফে এই দাবি নস্যাৎ করা হয়। বলা হয়, পাকিস্তান এমন কোনও আর্জি জানায়নি। যদিও সংঘর্ষবিরতি চুক্তি হলেও তা ৩ ঘণ্টার মধ্যেই লঙ্ঘন করে পাকিস্তান। সীমান্ত বরাবর গুলি-মর্টার ছুড়তে শুরু করে। পাল্টা জবাবও দেয় ভারতীয় বাহিনী। তবে শনিবার রাতের পর আপাতত আর হামলার ঘটনা ঘটেনি এলওসিতে।