.webp)
দাবানল ঠেকানোর কাজ চলছে উত্তরাখণ্ডে। ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 15 May 2024 16:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বন দফতরের কোনও আধিকারিক অথবা বনবিভাগের কোনও গাড়ি ভোটের কাজে নেওয়া যাবে না। বুধবার উত্তরাখণ্ডের দাবানল নিয়ে একটি আর্জির শুনানিতে এই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। মূল আর্জির শুনানিতে সর্বোচ্চ আদালত উত্তরাখণ্ড সরকারকে দাবনল রোধে ব্যর্থতার জন্য চরম ভর্ৎসনা করে। এ বিষয়ে রাজ্যে মুখ্যসচিবকে আগামী ১৭ মে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দাবানল থামাতে সরকারের উদাসীন মনোভাবের কথাও উল্লেখ করেছে শীর্ষ আদালত।
এই প্রসঙ্গেই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, কোনও রাজ্য ভোটের কাজে বন দফতরের কর্মীদের কিংবা বন দফতরের গাড়ি ব্যবহার করতে পারবে না। একইসঙ্গে আদালত উত্তরাখণ্ড সরকারের কাছে জানতে চেয়েছে, দাবানল ঠেকাতে কেন কেন্দ্রীয় তহবিলের টাকা খরচ হয়নি? হিসাব দিয়ে বলেছে, গতবছর কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে ৯ কোটি টাকা দিয়েছিল। তার মধ্যে মাত্র ৩.১৪ কোটি টাকা খরচ হয়েছে কেন, বাকি টাকা কী হল?
সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে শূন্যপদে কেন কর্মী নিয়োগ হয়নি, কেন অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি কেনা হয়নি এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা ভেঙে কেন বনকর্মীদের ভোটের কাজে নিয়োগ করা হয়েছে, তার ব্যাখ্যা চেয়েছে।
বিচারপতি বিআর গাভাইয়ের নেতৃত্বে এসভিএন ভাট্টি ও সন্দীপ মেহতাকে নিয়ে গঠিত বেঞ্চ বলেছে দিনের পর দিন একাধিক মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা হলেও তার একটিও কার্যকর হয়নি। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই নৈনিতাল সহ উত্তরাখণ্ডের বিস্তীর্ণ বনভূমিতে ভয়াবহ দাবানল জ্বলে ওঠে।
গত ৯ মে বনকর্তা ধনঞ্জয় মোহন জানান, দাবানলে ৫ জনের মৃত্যু এবং ১৩০০ হেক্টর বনভূমি ছাই হয়ে গিয়েছে। গত সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি পিরুল লাও, পয়সা পাও প্রচার শুরু করেন। পিরুল হল বনাঞ্চলে পড়ে থাকা শুকনো পাইন পাতা। মূলত যা থেকে দাবানল জ্বলে ওঠে। তাই স্থানীয়রা পাইন গাছের ঝরে যাওয়া শুকনো পাতা কুড়িয়ে কেজিপ্রতি ৫০ টাকা দরে সরকারকে বিক্রি করছেন।