.webp)
৪:৩ বিভাজনের রায়ে সাত সদস্যের বেঞ্চে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতে এই রায়দান হয়।
শেষ আপডেট: 8 November 2024 12:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়কে সংখ্যালঘু তকমা দেওয়ার সিদ্ধান্তের ভার গেল ৩ সদস্যের বেঞ্চে। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিদায়ী প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের বেঞ্চ ভারতীয় সংবিধানের ৩০ ধারা অনুসারে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়কে সংখ্যালঘু মর্যাদার স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে বিভাজিত রায় দেয়। ৪:৩ বিভাজনের রায়ে সাত সদস্যের বেঞ্চে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতে এই রায়দান হয়। এই রায়ে চার বিচারপতি চারটি পৃথক মতপ্রকাশ করেছেন। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় তাঁর এবং বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, জেবি পারদিওয়ালা এবং মনোজ মিশ্রর হয়ে মূল রায়টি লিখেছেন। বিচারপতি সূর্য কান্ত, দীপঙ্কর দত্ত ও সতীশ চন্দ্র বিপরীত রায়দান করেন।
সাত সদস্যের সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ এদিন ১৯৬৭ সালের এস আজিজ বনাম কেন্দ্র মামলার রায় খারিজ করে দেয়। ওই রায়ে বলা হয়েছিল, কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাবি করতে পারে না। এই সংক্রান্ত মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ বহুমতে উপনীত হওয়ায় আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় সংখ্যালঘু মর্যাদা পাবে কিনা এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন সদস্যের সাধারণ বেঞ্চে পাঠানোর রায় দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি এই এই বেঞ্চ গঠন করবেন।
আজিজ বাশা মামলায় আদালত বলেছিল, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু বিধিবদ্ধ আইনানুসারে হয়েছিল তাই এই বিশ্ববিদ্যালয় সংখ্যালঘু মর্যাদার দাবি জানাতে পারে না। কিন্তু, এদিন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য আজিজ বাশা মামলার রায় খারিজ করে দেয়। বেঞ্চ বলেছে, কোনও প্রতিষ্ঠান বিধিবদ্ধ আইনানুসারে গঠিত হয়েছে বলে তার সংখ্যালঘু মর্যাদাকে হারিয়ে যায় না।
সংখ্যাগুরুর মতে, আদালতের উচিত কে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তা বিচার করে দেখা এবং কার মস্তিষ্ক ছিল এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার নেপথ্যে। যদি সেই বিচারে দেখা যায় যে, এক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের দিকেই দাবি জোরাল হচ্ছে, তাহলে এই প্রতিষ্ঠান সংবিধানের ৩০ ধারা অনুযায়ী সংখ্যালঘু মর্যাদা দাবি করতে পারে। এই বাস্তবিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার জন্য সাংবিধানিক বেঞ্চ এই মামলাকে সাধারণ তিন সদস্যের বেঞ্চে বিচার্য বলে পাঠিয়ে দিয়েছে।