Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

অসম চুক্তির নাগরিকত্ব আইনের সাংবিধানিক বৈধতা বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

আইনের ৬এ ধারায় অবৈধ অনুপ্রবেশকারী যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি তাদের নাগরিকত্ব প্রদানের সুবিধা রয়েছে।

অসম চুক্তির নাগরিকত্ব আইনের সাংবিধানিক বৈধতা বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

শেষ আপডেট: 17 October 2024 11:58

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ নাগরিকত্ব আইনের ৬এ ধারার সাংবিধানিক বৈধতাকে বহাল রাখল। বৃহস্পতিবার সাংবিধানিক বেঞ্চে ৪-১ রায়ে নাগরিকত্ব আইনের সপক্ষে বলা হয়েছে, ১৯৮৫ সালের ওই আইনের ৬এ ধারা বহাল থাকছে। অসম চুক্তির সময় এই ধারাটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা অবশ্য রায়ের ভোটাভুটিতে বিরুদ্ধ মত দিয়েছেন। এই আইনের ৬এ ধারায় অবৈধ অনুপ্রবেশকারী যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি তাদের নাগরিকত্ব প্রদানের সুবিধা রয়েছে। ১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ পর্যন্ত যাঁরা এদেশে প্রবেশ করেছেন তাঁরা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবেন।

প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি সূর্য কান্ত, এমএম সুন্দরেশ, জেবি পারদিওয়ালা এবং মনোজ মিশ্রকে নিয়ে গঠিত সাংবিধানিক বেঞ্চ এদিন এই রায় দেয়। এর মধ্যে বিচারপতি পারদিওয়ালা আইনের ৬এ ধারাকে অসাংবিধানিক বলে রায় দেন। প্রধান বিচারপতি বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ে অসম চুক্তি ছিল একটি রাজনৈতিক সমাধান। যাতে ৬এ ধারাটি ছিল আইনি সমাধান। বেঞ্চের সংখ্যাগরিষ্ঠের মত এই যে, এ ধরনের ব্যবস্থা চালুর ক্ষমতা সংসদের রয়েছে। বেঞ্চের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য মনে করেন যে, ৬এ ধারা কার্যকর হয়েছিল স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে একটি মানবিক দৃষ্টিকোণের সামঞ্জস্য রক্ষা করতে।

বেঞ্চের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য এও মনে করেন যে, বাংলাদেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সীমান্তবর্তী অন্য রাজ্যগুলি যেমন পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় অসম অনুপ্রবেশ সমস্যায় বেশি ভুক্তভোগী হয়েছিল। তাই তাদের সঙ্গে অসমকে এক করে ভাবলে চলবে না। বেঞ্চের মতে, অসমে ৪০ লক্ষ অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছিল। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল ৫৭ লক্ষ অনুপ্রবেশকারী। তাতেও অসমের উপর অনুপ্রবেশের প্রভাব অনেক বড় ছিল। কারণ পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে অসমের জমির পরিমাণ অনেক ছোট ছিল।

বেঞ্চ আরও মনে করে, অনুপ্রবেশের অন্তিম সময় নির্ধারণটিও অত্যন্ত যুক্তিপূর্ণ। কার ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছিল। বেঞ্চের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য এও মনে করেন যে, নাগরিকত্ব আইনের ৬এ ধারায় কোনও অতিরিক্ততা নেই, কোনও কমতি কিছুও নেই। শুনানির সময় আদালত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছে যে, ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চের পর অসম এবং উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে উদ্বাস্তুর স্রোত সম্পর্কে একটি হিসাব দাখিল করতে।


```