
শেষ আপডেট: 6 March 2024 12:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জিম করবেট জাতীয় উদ্যানের কোর এলাকায় যাওয়া একেবারেই নিষিদ্ধ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, এখন আর জাতীয় উদ্যানের কোর এলাকায় টাইগার সাফারি করা যাবে না। জঙ্গল এলাকার চারপাশে ও বাফার এলাকার আগে অবধি সাফারিতে যেতে পারেন পর্যটকরা। কিন্তু একেবারে কোর এলাকায় ঢোকা যাবে না।
কী নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট?
সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, জঙ্গলের ভেতরে অনেক বেআইনি নির্মাণ হচ্ছে। গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। ফলে জঙ্গলের বাস্তুতন্ত্র নষ্ট হচ্ছে। জিম করবেন জাতীয় উদ্যানে দিনের পর দিন এমন বেআইনি কাজকর্ম হচ্ছে যা দেখেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন বনমন্ত্রী হরক সিং রাওয়াত ও ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার কিষাণ চাঁদকে ভর্ৎসনা করেন বিচারপতিরা।
শীর্ষ আদালতের বিচারপতিদের বেঞ্চ জানিয়েছে, জাতীয় উদ্যানের চারপাশে ও বাফার এলাকার সীমিত জায়গাতেই সাফারি করা যাবে। পর্যটকদের নিয়ে কোর এলাকায় ঢোকা যাবে না। জাতীয় উদ্যানের কোর এলাকায় কী কী বেআইনি কাজকর্ম চলছে তা তদন্ত করে বিস্তারিত রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিবিআইকে। আগামী তিন মাসের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়েছে তদন্তকারী অফিসারদের।
১৯৩৫ সালে জঙ্গলে ঘেরা এই এলাকাকে জাতীয় উদ্যানের স্বীকৃতি দিয়ে নাম রাখা হয় হেইলি জাতীয় উদ্যান। ১৯৫৬ সালে বিখ্যাত শিকারি এডওয়ার্ড জেমস করবেটের নামে নামকরণ হয় জিম করবেট জাতীয় উদ্যান। ভারতের প্রথম জাতীয় উদ্যানের স্বীকৃতিও এই জিম করবেট জাতীয় উদ্যানেরই। ৫২০ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই জাতীয় উদ্যানে আড়াইশোর বেশি বাঘ আছে। এ ছাড়াও হাতি, চিতাবাঘ, নীলগাই, সম্বরের দেখা মেলে এই জাতীয় উদ্যানে।
শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, বেআইনি নির্মাণ ও গাছ কেটে ফেলার ফলে জঙ্গলের প্রাণীদের ক্ষতি হচ্ছে। প্রাণীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে তা বন আধিকারিকদের জানানোর নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতিরা।