
শেষ আপডেট: 28 November 2023 12:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অনেক আশা ছেলেকে ডাক্তারি পড়তে কোটায় পাঠিয়েছিলেন বাবা-মা। কিন্তু সেই আশা পূরণ আর হল না। সুদূর রাজস্থান থেকে ছেলের নিথর দেহ ফিরছে বাংলায়।
মৃত পড়ুয়ার নাম ফরিদ। পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা ফরিদ কোটার ওয়াকফনগর এলাকায় থাকতেন। তিনি চিকিৎসক হওয়ার জন্য সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-এর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সোমবার সন্ধ্যায় তাকে ঘরের ভিতর ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন বাড়ির অন্যান্যরা। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ফরিদ যে ভাড়াবাড়িতে থাকত সেখানকার অন্য ছাত্ররা পুলিশকে জানিয়েছে, ফরিদকে তারা শেষবার বিকেল ৪টে নাগাদ দেখেছে। কিন্তু সন্ধে ৭টা নাগাদও সে ঘর থেকে না বেরোনোয় সন্দেহ হয় বাকিদের। তখন তারা সেকথা বাড়িওয়ালাকে জানায়। তিনিই পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে বন্ধ ঘরের দরজা ভেঙে ওই ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, গত এক বছর ধরে ওই বাড়িতে থেকে কোচিং নিচ্ছিল ফরিদ। তবে কেন সে আত্মহত্যা করল তা স্পষ্ট নয়। মৃতদেহের কাছ থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যেই তার বাড়িতে খবর দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এলে দেহ হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চলতি বছর এই নিয়ে ২৮টিআত্মহত্যার ঘটনা ঘটল কোটায়। রাজস্থানের এই শহরে পড়তে গিয়ে একের পর এক ছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনায় কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে কোচিং সেন্টারগুলিকে। সেখানকার অমানুষিক চাপ, সাফল্য পাওয়ার জন্য ইঁদুর দৌড়ই ছাত্রমৃত্যুর জন্য দায়ী কিনা সেই বিতর্ক উঠেছে। প্রশাসনের তরফে পড়ুয়াদের উপর চাপ কমাতে কোচিংগুলিকে একাধিক পদক্ষেপ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও প্রকৃত দোষ কার, সেই প্রশ্নের জবাব মেলেনি।