
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 3 March 2025 14:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জল-কাদা টপকে ঘটনাস্থলে পৌঁছনোই যাচ্ছে না। ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও তেলঙ্গানার সুড়ঙ্গের ধসে আটকে পড়া শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগই করতে পারছে না উদ্ধারকারী দল। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের জীবিত উদ্ধার করার আশা আরও ক্ষীণ হচ্ছে। শ্রীশৈলম বাঁধের সুড়ঙ্গের ঠিক কোনও অংশে তাঁরা আটকে রয়েছেন, সেটা সম্পর্কেও এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছে না উদ্ধারকারী দল।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি এই দুর্ঘটনা ঘটেছিল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার কাজ শুরু হলেও এখনও নিট ফল শূন্য। এনডিআরএফ, এসডিআরএফ থেকে শুরু করে ভারতীয় সেনা, রেলের টিম পর্যন্ত নেমেছে উদ্ধারকাজে। তাঁদের যোগ্য সঙ্গত দিচ্ছে ব়্যাট মাইনার্সের দল। কিন্তু ওই ৮ জন শ্রমিকের কোনও হদিশই মিলছে না। এই মুহূর্তে মোট ৩০০ জন শ্রমিকদের উদ্ধার করার কাজে নিযুক্ত রয়েছে। তবে সাফল্য আসবে কিনা, তা বলা মুশকিল।
এই সুড়ঙ্গের মধ্যে আটকে রয়েছে 'টানেল বোরিং মেশিন'। সেটিকে গ্যাস কাটার দিয়ে কেটে টুকরো টুকরো করার ভাবনা নেওয়া হয়েছে। এইভাবে রাস্তা তৈরি করে আটকে পড়া শ্রমিকদের কাছাকাছি যাওয়া যাবে বলে আশা। কিন্তু সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সুড়ঙ্গ থেকে বেরনো কাদা মাটি, জল। তার জেরে বেশি ভিতরে এগোতেই পারছেন না উদ্ধারকারীরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এইভাবে জল-কাদা টপকে ভিতরে জোর করে ঢুকতে চাইলে প্রাণ সংশয় থাকবে উদ্ধারকারী দলের সদস্যদেরই।
সুড়ঙ্গের শেষ ৪০-৪৫ মিটার পুরোপুরি জল-কাদায় ভরে রয়েছে। তা সরানোর কাজ শুরু হলেও এখনও জায়গা ফাঁকা করা সম্ভব হয়নি। লাগাতার এন্ডোস্কোপিক ক্যামেরার মাধ্যমে সুড়ঙ্গের ভিতর নজরদারি চালানোর পাশাপাশি ব্যবহার করা হচ্ছে রোবোটিক ক্যামেরা। আশা করা হচ্ছে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ভাল খবর আসবে। কিন্তু আদতে কাউকে সুড়ঙ্গের ভিতর থেকে বাঁচিয়ে আনা সম্ভব হবে কিনা, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।