
সম্বিত পাত্র বলেন, বিটকয়েন কেলেঙ্কারিতে সনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীও জড়িত।
শেষ আপডেট: 20 November 2024 13:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ড- দুই রাজ্যের বিধানসভা ভোট চলাকালীন কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধী ও বিরোধী দলনেতা, কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বোমা ফাটাল বিজেপি। বুধবার ভারতীয় জনতা পার্টির এমপি সম্বিত পাত্র অভিযোগ তুলে বলেন, বিটকয়েন কেলেঙ্কারিতে শুধু মারাঠা নেত্রী তথা শারদ পাওয়ার কন্যা সুপ্রিয়া সুলে বা নানা পাটোলে জড়িত নন, সনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীও জড়িত।
পাটনায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে সম্বিতের দাবি, সুপ্রিয়া সুলের চারটি অডিও মিলেছে। আজ, বুধবার এ বিষয়ে সুপ্রিয়া সুলে বলেছেন যে সব মিথ্যে। তাঁর কণ্ঠ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু, এই অভিযোগ তো আমার নয়। আমার কণ্ঠস্বরও নয়। তাঁর নিজের ভাই (অজিত পাওয়ার) বলছেন যে, এটা তাঁর (সুপ্রিয়া সুলে) কণ্ঠস্বর।
সম্বিত পাত্র নিশানা করে বলেন, ফলে আমরা পরিষ্কার শুনতে পাচ্ছি সুপ্রিয়া সুলে কী নির্দেশ দিচ্ছেন। এবং শুধু সুপ্রিয়া নন, আপনারা দেখতে পাবেন নানা পাটোলে কীভাবে একজন কাউন্সিলার অমিতাভ গুপ্তাকে নির্দেশ দিচ্ছেন। বিজেপি নেতার আরও অভিযোগ, কথাবার্তার অ্যাপ সিগন্যালের চ্যাটবক্সের বার্তালাপে যা মিলেছে তাতে স্পষ্ট সুপ্রিয়া সুলে ও নানা পাটোলে ছাড়াও এর পিছনে আরও বড় খেলোয়াড়রা রয়েছেন।
সম্বিত এরপরেই সোজাসুজি তির ১০ জনপথের দিকে তাক করে বলেন, যদি দেশে লুট ও দুর্নীতির আড়ালে সব থেকে বড় খেলোয়াড় কেউ থেকে থাকেন, তাঁরা হলেন সনিয়া ও রাহুল গান্ধী। এই পথে কোটি কোটি টাকা এধার-ওধার হয়েছে। আমরা শুধুমাত্র কথার মাধ্যমে ২৩৫ কোটি টাকার দুর্নীতির কথা জানতে পেরেছি।
উল্লেখ্য, অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার পুনের বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথ পাটিল প্রথম অভিযোগ তুলেছেন সুপ্রিয়া সুলে ও নানা পাটোলের বিরুদ্ধে। ২০১৮ সাল থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারণা মামলায় এই দুজন জড়িত ছিলেন বলে তাঁর অভিযোগ ছিল। পাটিলে দাবি, এই প্রতারণা থেকে আসা অর্থ নির্বাচনী প্রচারে খরচ করা হয়েছে। এ বিষয়ে এদিনই সকালে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, যা বলা হচ্ছে তার সবটাই মিথ্যা।
সংবাদ সংস্থার কাছে সুলে বলেন, আমি মানহানি ও ফৌজদারি মামলা করেছি। আমি সব প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত। যদিও তাঁর তুতো ভাই মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার বলেন, অডিও ক্লিপে তিনি তাঁর বোনের কণ্ঠস্বর চিনতে পেরেছেন। পাওয়ারের কথায়, আমি দুজনেরই আওয়াজ চিনি এবং চিনতে পেরেছি। এগুলি তাঁদের বলে আমি জানি, তদন্ত হলেই দুধ কা দুধ, পানি কা পানি হয়ে যাবে।