Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সাজগোজ ভারতীয় মহিলাদের অধিকার! ল্যাকমেকে পৌঁছেছিলেন ঘরে ঘরে, ৯৫-এ প্রয়াত সিমোন টাটা

সিমোন টাটা ছিলেন নোয়েল টাটার মা, রতন টাটার দ্বিতীয় মা। টাটা পরিবারে তাঁর অবদান শুধু ব্যবসায় নয়, সংস্কৃতি ও কর্পোরেট ব্যবস্থাপনায়ও অনস্বীকার্য।

সাজগোজ ভারতীয় মহিলাদের অধিকার! ল্যাকমেকে পৌঁছেছিলেন ঘরে ঘরে, ৯৫-এ প্রয়াত সিমোন টাটা

সিমোন টাটা

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 5 December 2025 21:48

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রথম ফাউন্ডেশন থেকে আই-লাইনার, কমপ্যাক্ট পাউডার থেকে কাজল, ভারতীয় মহিলাদের ঘরে ঘরে ল্যাকমেকে (Lakme Brand) পৌঁছে দিয়েছিলেন সিমোন টাটা (Simone Tata)। ৯৫ বছর বয়সে মুম্বইয়ে প্রয়াত হলেন কিংবদন্তি এই শিল্পপতি। শুক্রবার কনসুলেট জেনারেল অফ সুইজারল্যান্ড ইন মুম্বই (Consulate General of Switzerland in Mumbai) তাঁর মৃত্যুর খবর জানিয়ে শোকপ্রকাশ করে।

সংস্থার তরফে এক্স-এ লেখা হয়, “সিমোন টাটার প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর সাফল্য, সৌন্দর্যবোধ এবং কাজ বহু প্রজন্মকে পথ দেখাবে। আত্মার শান্তি কামনা করি।”

জেনিভা থেকে মুম্বই , সিমোন টাটার পথচলা

১৯৩০ সালে জেনিভায় জন্ম সিমোন দুনয়রের (Simone Dunoyer)। ১৯৫৩ সালে পর্যটক হিসেবে ভারতে এসে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় নাভাল এইচ টাটার (Naval H Tata)। তারপরই ভারতেই থেকে যান তিনি। ল্যাকমে-তে তাঁর যাত্রা শুরু ১৯৬২ সালে, যখন ওই সংস্থা ছিল টাটা অয়েল মিলসের একটি ছোট সাবসিডিয়ারি (Minor Subsidiary)।

তিনি বিশ্বাস করতেন, সৌন্দর্য (Beauty) কোনও বিলাসিতা নয়, ভারতীয় মহিলাদের অধিকার। তাই প্রসাধনী সামগ্রী হওয়া উচিত সহজলভ্য। আর সেই ভাবনা থেকেই শুরু হয় ব্র্যান্ডকে নতুন করে সাজানোর কাজ।

ল্যাকমে-কে পুনর্জন্ম দেওয়ার নেপথ্যে সিমোন

সিমোন টাটা ল্যাকমে-কে শুধু জনপ্রিয় করেননি, তৈরি করেছিলেন ভারতীয় সৌন্দর্যবাজারের প্রথম আধুনিক পরিচয়। ধীরে ধীরে তিনি ব্র্যান্ডটিকে দেশের শীর্ষস্থানীয় কসমেটিক সংস্থায় (Leading Cosmetic Company) পরিণত করেন।

পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক বাজারেও ছড়িয়ে দেন। ১৯৮৯ সালে তাঁকে টাটা ইন্ডাস্ট্রিজের বোর্ডে (Tata Industries Board) নিয়োগ করা হয়। ব্যবসায়, কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি এবং ব্র্যান্ড গঠনে তাঁর কাজ আজও পাঠ্যবিষয়।

ল্যাকমে ইন্ডিয়া (Lakme India)ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকজ্ঞাপন করেছে। ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে লেখা হয়, “Rest in peace, Simone Tata… ভারতীয় মহিলাদের আত্মবিশ্বাস, সৌন্দর্য এবং গরিমা ফিরিয়ে দেওয়ার পিছনে আপনার দৃষ্টি ছিল সবচেয়ে বড় অবদান। আপনার উত্তরাধিকার চিরন্তন।”

টাটা পরিবারের স্তম্ভতুল্য সদস্য

সিমোন টাটা ছিলেন নোয়েল টাটার (Noel Tata) মা এবং রতন টাটার (Ratan Tata) দ্বিতীয় মা (Stepmother)। টাটা পরিবারের ইতিহাসে তাঁর অবদান শুধু ব্যবসায় নয়, সংস্কৃতি ও কর্পোরেট ব্যবস্থাপনায়ও অনস্বীকার্য।

ভারতীয় কসমেটিক ইন্ডাস্ট্রিকে আধুনিক করার ক্ষেত্রে সিমোন টাটার প্রভাব এতটাই গভীর যে তাঁকে ছাড়া ল্যাকমে বা ভারতীয় মেকআপ ইন্ডাস্ট্রি কল্পনা করাই যায় না। সাধারণ ভারতীয় মহিলার জন্য যে ভাবনা তিনি কাজে লাগিয়েছিলেন, আজ তার ভিত্তিতেই দাঁড়িয়ে দেশের বহু ব্র্যান্ড।


```