
বেশকিছু ওষুধের দাম কমল
শেষ আপডেট: 17 May 2024 08:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওষুধের দাম বৃদ্ধি নিয়ে সাধারণ মানুষের চিন্তা ক্রমাগত বেড়েছে। গত এপ্রিল মাস থেকেই প্যারাসিটামল সহ অন্তত ৮০০ ওষুধের দাম বেড়েছিল। তবে লোকসভা ভোটের মধ্যে খানিক স্বস্তি মিলল। কারণ নিয়মিত ব্যবহৃত হয় এমন ৪১টি সাধারণ ওষুধের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি বা এনপিপিএ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ডায়াবেটিস, হার্ট ডিজিজ, লিভার সংক্রান্ত রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের দাম কমছে। ৪১টি ওষুধ ছাড়াও কমানো হচ্ছে এই সব রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ছ'টি 'ফরমুলেশন'। ইতিমধ্যে ডিলার ও স্টকিস্টদের কাছে ওযুধের দাম কমার বার্তা পৌঁছে গেছে। দ্রুত সম্ভব যাতে নতুন দামে ওষুধ বিক্রি শুরু করা হয়, সেই নির্দেশ দিয়েছে এনপিপিএ।
সারা ভারতে ১০ কোটির বেশি ডায়বেটিক রোগী রয়েছেন। তাই এই দাম কমার খবরে স্বাভাবিকভাবে প্রচুর মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস নেবেন। এনপিপিএ বলছে, প্রতিবছরই ওষুধের পাইকারি মূল্য সূচক (WPI) ঠিক করা হয়। সাধারণ মানুষের যাতে সুবিধা হয়, ওষুধের দাম নিয়ে যাতে চিন্তা কমে, সেই চেষ্টা করা হয়। মার্চ মাসেই অবশ্য কেন্দ্রীয় সরকার বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিয়েছে। ডায়াবিটিস, ব্লাডপ্রেশারের ওষুধ সহ ৬৯টি ওষুধের দামের ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০২২ এবং ২০২৩ সালে অত্যাবশকীয় ওষুধের দাম ১০ থেকে ১২ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। ওষুধের দাম বৃদ্ধির পিছনে মুদ্রাস্ফীতি একটি কারণ বলে বারবার দাবি করে এসেছে কেন্দ্রীয় সরকার। চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে আবার ২৮ ধরনের ডায়াবেটিসের ওষুধের দাম কমানো হয়েছিল কেন্দ্রের তরফে। এছাড়া কোলেস্টেরল ও ব্যথার ওষুধের মূল্যও অনেকটা কমেছিল। সব মিলিয়ে ৩৯ ধরনের ওষুধের দাম কমিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার।