
আইএনএস অরিঘাত
শেষ আপডেট: 29 August 2024 12:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নৌযুদ্ধে চিনকে টেক্কা দিতে আজ, ২৯ অগস্ট, বৃহস্পতিবার বিশাখাপত্তনমের জলে নামছে দ্বিতীয় পরমাণু অস্ত্রবাহী ডুবোজাহাজ আইএনএস 'অরিঘাত' (অর্থ শত্রু বিনাশকারী)। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনকে নৌবাহিনীর হাতে তুলে দেবেন। নৌবাহিনীতে এই ডুবোজাহাজের অন্তর্ভুক্তি সমুদ্রযুদ্ধে ভারতকে বেশ কয়েক কদম এগিয়ে রাখল। যার ফলে চিনের দবরব খানিকটা হলেও কমবে।
উল্লেখ্য, পরমাণু অস্ত্রচালনায় সক্ষম এই সিরিজের প্রথম ডুবোজাহাজটি নৌবাহিনীর হাতে আসে ২০১৬ সালে। অরিহন্ত সিরিজের দ্বিতীয় সাবমেরিন হল অরিঘাত। ভারতেই তৈরি এই সাবমেরিনটির দৈর্ঘ্য হল ১১২ মিটার এবং ওজন ৬ হাজার টন। এতে দুরকমের পরমাণু অস্ত্র ছোড়া যাবে। এছাড়াও এতে ৮৩ মেগাওয়াটের লাইট-ওয়াটার রিঅ্যাক্টর আছে। যার ফলে দীর্ঘ সময় জলের নীচে থাকতে সক্ষম এই সাবমেরিন।
এই ডুবোজাহাজের বৈশিষ্ট্য কী কী?
১। অরিঘাত হল শিপ, সাবমার্সিবল, ব্যালেস্টিক, নিউক্লিয়ার প্রযুক্তির অরিহন্তের আধুনিক সংস্করণ। অর্থাৎ এটা জলের উপরে, নীচে, পরমাণু অস্ত্রক্ষেপণ এবং পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ।
২। সমুদ্রের উপরে অরিঘাতের সর্বোচ্চ গতি হল ঘণ্টায় ২২-২৮ কিমি। ডুবন্ত অবস্থায় ঘণ্টায় ৪৪ কিমি।
৩। এতে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অংশ রয়েছে। যেখান থেকে চারটি কে-৪ সাবমেরিন লঞ্চড ব্যালেস্টিক মিসাইল এবং ১২টি কে-১৫ গোত্রের এসএলবিএম ছোড়া যেতে পারে।
৪। কে-৪ পরমাণু অস্ত্রের পাল্লা হল সাড়ে ৩ হাজার কিমির বেশি এবং কে-১৫র পাল্লা প্রায় ৭৫০ কিমি।
৫। এছাড়াও এই সাবমেরিন থেকে অবশ্যই টর্পেডো ছোড়ার প্রযুক্তিও আছে।