
সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া।
শেষ আপডেট: 20 July 2024 07:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত মাসে লোকসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের আগে বুথ ফেরত সমীক্ষার পর রাতারাতি চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারদর। তৃণমূল-সহ বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, এক শ্রেণির বিনিয়োগকারীকে লাভবান করতেই বুথ ফেরত সমীক্ষায় বিজেপিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখানো হয়েছিল। ফল প্রকাশের পর অবশ্য ধস নেমেছিল বাজারে। ফলে রাতারাতি শেয়ার বাজার থেকে সাধারণ মানুষের ৩০ লক্ষ টাকা উবে যায়। গোটা ঘটনায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীরা। এ ব্যাপারে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়ার (SEBI) কাছেও অভিযোগ জানিয়েছিল তৃণমূল-সহ বিরোধীরা।
সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে তেমন কোনও তথ্যপ্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়ে দিয়েছে সেবি। সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, বিরোধীদের আনা ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে শেয়ারের বাজারের সঙ্গে জড়িত সমস্ত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে তথ্য চেয়েছিল সেবি। কিন্তু সেখান থেকে অভিযোগের সপক্ষে কোনও তথ্যপ্রমাণ মেলেনি।
গত ১৮ জুন এ ব্যাপারে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়ার (SEBI) আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় এক প্রতিনিধিদল। শেয়ার বাজারে অদৃশ্য নয়ছয় করার অভিযোগ জানান তাঁরা। তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখেল, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাগরিকা ঘোষরা সেবিকে বলেন, বুথফেরত সমীক্ষার পর আচমকাই আদানি-আম্বানিসহ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারদর রাতারাতি আকাশ ছুঁয়ে যায়। এর পিছনে দুর্নীতি থাকতে পারে।
তৃণমূলের ওই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন মহারাষ্ট্রের উদ্ধব সেনার এমপি অরবিন্দ সাওয়ান্ত এবং শারদ পাওয়ার গোষ্ঠীর এনসিপি-র প্রাক্তন বিধান পরিষদ সদস্য বিদ্যা চৌহান।
বৃহত্তম শেয়ার বাজার দুর্নীতিতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জড়িত বলে অভিযোগ তুলেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। কংগ্রেসের অভিযোগ, বুথফেরত সমীক্ষার পর আচমকা উত্থান ও ভোটের ফল প্রকাশের পর হঠাৎ পতনে ছোট বিনিয়োগকারীদের বাজার থেকে ৩০ লক্ষ কোটি টাকা উধাও হয়ে যায়। এটা হল বৃহত্তম স্টক মার্কেট কেলেঙ্কারি। এর তদন্ত হোক। যদিও বিজেপির তরফে বিরোধীদের এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে আগেই উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এবার সেবি সূত্রেও জানানো হল, অভিযোগের সপক্ষে কোনও তথ্যপ্রমাণ মেলেনি।