.jpeg)
সংগৃহীত ছবি
শেষ আপডেট: 2 April 2025 19:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্কুলের প্রিন্সিপ্যালের হোয়াটসঅ্যাপ স্টেটাস নিয়ে ধুন্ধুমার। স্কুলে হামলা চালাল একদল প্রতিবাদী। 'রামকে অপমান' করা হয়েছে, এই অভিযোগে তাণ্ডব চালানো হয়। মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের ঘটনা।
হামলাকারীদের অভিযোগ, স্কুলের প্রিন্সিপ্যালের করা ওই পোস্টে ভগবান রাম সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়। যার ফলে বিক্ষোভকারীরা স্কুলে ঢুকে পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে, ভেঙে দেয় জানালার কাচ। এর জেরে ব্যাপক ক্ষতি হয় সম্পত্তির। ঘটনার বেশ কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চালান বিক্ষোভকারীরা। পরে পুলিশ পদক্ষেপ করার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা এলাকা ছাড়েন।
বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) এক বরিষ্ঠ নেতা এনিয়ে বলেন, 'স্কুল অধ্যক্ষের হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে ভগবান রাম সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য ছিল, যা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এ বিষয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমরা চাই স্কুল কর্তৃপক্ষ প্রকাশ্যে ক্ষমা চাক। না হলে আরও বড় আকারে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।'
পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, স্ট্যাটাসটি সত্যিই ওই প্রিন্সিপ্যাল পোস্ট করেছিলেন না এআই দিয়ে তৈরি কোনও ছবি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।
যখন হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসটি ভাইরাল হয়, তখন কয়েকজন বিক্ষোভকারী কাদা ভর্তি ব্যাগ নিয়ে স্কুলের সামনে পৌঁছায়। স্কুলের ভিতরে ছুঁড়ে ফেলা হয় সেগুলি। ক্ষোভে দেওয়ালে কালো রং মাখিয়ে দেওয়া হয়। বলছেন, আধিকারিকরা। তবে স্কুলের তরফে এখনও কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
এদিকে উত্তরপ্রদেশের আমেঠির কাটোরা গ্রামে একটি রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে মূর্তি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। মন্দিরের পুরোহিতের সহযোগিতায় নতুন মূর্তি স্থাপনের ব্যবস্থাও করা হয়। আমেঠির পুলিশ সুপার অপর্ণা রজত কৌশিক জানান, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে, তদন্ত চলছে।