
স্লোগান লিখতে হোঁচট মন্ত্রীর।
শেষ আপডেট: 20 June 2024 10:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনি কেন্দ্রের নারী ও শিশুকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। এদিকে 'বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও' স্লোগানটুকু লিখতে রীতিমতো নাকানিচোবানি খেলেন। হিন্দি বানানের মাথামুন্ডু নেই, উপরন্তু স্লোগানটি লিখলেনও ভুল। সাবিত্রী ঠাকুরের এই কীর্তির ভিডিও ভাইরাল হতেই হাসির রোল উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। উঠেছে সমালোচনার ঝড়ও। বিরোধীদের প্রশ্ন, কোন আক্কেলে ক্লাস ১২ পাশ করা প্রার্থীকে মন্ত্রী করল বিজেপি?
কন্যাভ্রূণ হত্যা রুখতে এবং মেয়েদের ক্ষমতায়নে 'বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও' প্রকল্প চালু করেছিল মোদী সরকার। কন্যাসন্তানকে বাঁচিয়ে রাখার আর পড়াশোনা করানোর বার্তা ছিল এই প্রকল্পে। কিন্তু খোদ কেন্দ্রের মন্ত্রীর পড়াশোনা নিয়েই প্রশ্ন উঠে গেছে, প্রকল্পের বানান লিখতে গিয়ে তাঁকে হোঁচট খেতে দেখে।
মধ্যপ্রদেশের ব্রহ্মকুণ্ডির একটি স্কুলে মঙ্গলবার প্রধান অতিথি হয়ে গিয়েছিলেন স্থানীয় বিজেপি সাংসদ এবং কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী সাবিত্রী ঠাকুর। 'স্কুল চলো অভিযান' কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল সেখানে। সেই অনুষ্ঠানেই একটি সাদা বোর্ডে 'বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও' স্লোগান লিখতে যান তিনি।
কিন্তু তা লিখতে গিয়ে মন্ত্রীর যা অবস্থা হয়, তা দেখে অস্বস্তিতে পড়ে যান অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই। খোদ প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের নাম লিখতে পারছেন না একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, তা দেখে ওঠে হাসির রোলও। 'বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও'-এর বদলে মন্ত্রী লেখেন 'বেটি পড়াও বাঁচাও।'
This is Union Minister of State for Women and Child Development Savitri Thakur.
— Swati Dixit ಸ್ವಾತಿ (@vibewidyou) June 19, 2024
She had to write the slogan 'Beti Bachao Beti Padhao' on the education awareness chariot in the district.
But, the minister wrote - "Bedhi Padao Bacchav"
According to the election affidavit, she… pic.twitter.com/qF4agEtwYX
সোশ্যাল মিডিয়ায় সাবিত্রী ঠাকুরের এই লেখালেখির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ইতিমধ্যেই। কেউ লিখেছেন, 'গণতন্ত্রের পক্ষে সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক। যাঁরা দেশের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্বে, তাঁরাই মাতৃভাষায় স্বচ্ছন্দ নন।' কেউ আবার বলেছেন, 'ভোটে লড়াই ক্ষেত্রে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এবার চালু করা উচিত।'
প্রসঙ্গত, সাবিত্রী ঠাকুর নির্বাচনে দাঁড়ানোর সময় কমিশনে জমা করা হলফনামায় নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা দ্বাদশ উত্তীর্ণ বলে জানিয়েছেন। এখন প্রশ্ন উঠেছে, কী ভাবে একজন দ্বাদশ পাশকে শিক্ষা মন্ত্রকের পদে বসানো হল? আর দ্বাদশ পাশ হওয়ার পরেও এই স্লোগানটুকু কেনই বা লিখতে পারছেন না মন্ত্রী? এটাই কি এদেশের লেখাপড়ার চিত্র!