
শান্তনু ঠাকুর এবং সুকান্ত মজুমদার
শেষ আপডেট: 9 June 2024 14:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তৃতীয়বারের জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী। তবে এবার তাঁর মন্ত্রিসভায় বাংলা থেকে কতজন ঠাঁই পাবেন তা নিয়ে আলোচনা চলছেই। তবে সূত্রের খবর, শিকে ছিঁড়ছে দুজনের। একজন আগেও এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন, অন্যজন হতে প্রথমবারের জন্য মন্ত্রী হবেন। একজন শান্তনু ঠাকুর এবং দ্বিতীয়জন সুকান্ত মজুমদার।
বাংলায় বিজেপির আসন সংখ্যা এবার কমেছে। ১৮ থেকে তা হয়েছে ১২। তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও যে বাংলা থেকে প্রতিনিধিত্ব কমে আসবে সেটা হওয়া মোটামুটি স্বাভাবিক। ইতিমধ্যে জানা গেছিল, শান্তনু ঠাকুর, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় দিল্লি যাওয়ার জন্য ফোন পেয়েছিলেন। তাঁরা সেখানে গিয়ে মোদীর বাসভবনে চা-চক্রতেও যোগ দেন। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অভিজিৎ মন্ত্রী নাও হতে পারেন। শান্তনু ঠাকুরের পাশাপাশি মন্ত্রিত্ব পাচ্ছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এর আগের মন্ত্রিসভায় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন শান্তনু। এবার তিনি পূর্ণমন্ত্রী হবেন কিনা, সেটা দেখার বিষয় হবে।
বিজেপির একটি সূত্র দাবি করছে, রবিবার বাংলার কেউ শপথ নাও নিতে পারেন। এদিন হয়তো সীমিত সংখ্যক সাংসদ শপথ নেবেন। তার পর মাস খানেক বাদে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করা হবে। তখন বাকিদের নেওয়া হবে মন্ত্রিসভায়। বিজেপির ১২ জন সাংসদের মধ্যে ৬ জন উত্তরবঙ্গের এবং ৬ জন দক্ষিণবঙ্গের। বিজেপি সূত্রে বলা হচ্ছে, নির্দিষ্ট করে কারা মন্ত্রী হচ্ছেন বা আদৌ কেউ হচ্ছেন কিনা তা বিকেলের মধ্যেই সম্পূর্ণভাবে স্পষ্ট হয়ে যাবে।
রবিবার সকালে শান্তনু ঠাকুর, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ছাড়াও হেরে যাওয়া দুই সাংসদ দিলীপ ঘোষ ও অর্জুন সিংও দিল্লি গেছেন। যদিও তাঁদের যে মন্ত্রী হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই তা নিয়ে দ্বিধা নেই। এবার এটাই দেখার শান্তনু ঠাকুর এবং সুকান্ত মজুমদার মন্ত্রী হলে পূর্ণমন্ত্রী হন কিনা, আর কোন দফতরের মন্ত্রী হন।