
আলিগড় জামা মসজিদ।
শেষ আপডেট: 8 January 2025 18:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এবার আলিগড়ের জামা মসজিদ। মুঘল আমলের শেষাংশে প্রায় ৩০০ বছর আগে নির্মিত এই মসজিদ বৌদ্ধ মন্দির, জৈন মন্দির এবং হিন্দু মন্দির ভেঙে তৈরি হয়েছিল বলে আলিগড় দায়রা আদালতে আর্জি জানালেন তথ্য জানার অধিকার বিষয়ক এক সমাজসেবী কর্মী। পণ্ডিত কেশব দেও গৌতম নামে এক ব্যক্তি আলিগড় মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন সহ বিভিন্ন সরকার দফতরের কাছে তথ্য জানার অধিকার আইনে দলিল-দস্তাবেজ সংগ্রহ করে তার ভিত্তিতে মামলা করেছেন।
সাংবাদিকদের তিনি জানান, দায়রা আদালত এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি। জামা মসজিদের উৎস অনুসন্ধানে আমি সরকারি দফতরের বিভিন্ন বিভাগের তথ্য জানতে চাই। ঐতিহাসিক রেকর্ড অনুসারে মসজিদটি তৈরি হয়েছিল অষ্টাদশ শতকের একেবারে গোড়ার দিকে। মসজিদটি রয়েছে শহরের উত্তর কোট এলাকায়। প্রাচীন এই শহরের মুসলিম অধ্যুষিত ঘন জনবসতিপূর্ণ এই এলাকাটি।
গৌতমের দাবি, আলিগড় মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন জানিয়েছে, মসজিদ তৈরি হয়েছিল সরকারি জমিতে যাতে সরকারি অনুমোদন ছিল না। এই তথ্য তুলে ধরে তিনি আদালতের কাছে আর্জি জানিয়েছেন যাতে আদালত জামা মসজিদ পরিচালন কমিটিকে অবৈধ বলে ঘোষণা করে। অবিলম্বে সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা এই মসজিদের দখল নেওয়ার জন্য তিনি সরকারের কাছে আর্জি জানান।
উল্লেখ্য, ডিসেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট এক নির্দেশে বলেছিল যে, যতক্ষণ না ধর্মস্থান আইনের বৈধতা নিয়ে চূড়ান্ত রায়দান হচ্ছে, ততক্ষণ কোনও নিম্ন আদালত কোনও নির্মাণের ধর্মীয় চরিত্র নিরূপণের মামলা গ্রহণ করতে পারবে না। এমনকী সর্বোচ্চ আদালত সব আদালতকে এ জাতীয় কোনও মামলায় অন্তর্বর্তী কিংবা চূড়ান্ত নির্দেশ দানেও বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছিল। কোনও ধর্মীয় স্থান নিয়ে বিতর্কে যাতে আদালত সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ না দেয়, সে ব্যাপারেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। যার পরিপ্রেক্ষিতে এলাহাবাদ হাইকোর্ট সম্ভলের জামা মসজিদ সংক্রান্ত মামলার শুনানি পিছিয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি করে দিয়েছে।