
সংগৃহীত ছবি
শেষ আপডেট: 15 February 2025 15:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লখনউয়ের সঞ্জয় গান্ধী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এসপিজিআই)-এ প্রয়াত হন রামমন্দিরের প্রধান পুরোহিত মহন্ত সত্যেন্দ্র দাস। হিন্দু রীতি মেনে তাঁকে দাহ করা হয়নি কোথাও। সমাধিও করা হয়নি মাটিতে। উল্টে জলে ভাসিয়ে দেওয়া হয় শুক্রবার। এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয় নেটপাড়ায়। যার পর রীতিমতো হইচই পড়ে যায় সমস্ত মহলে। যদিও এই সংক্রান্ত পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
শুক্রবার সাকেত নগরীর সরযূ নদীতে প্রয়াত সত্যেন্দ্রের দেহ নৌকায় নিয়ে গিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। কিছুতে মুড়ে বেঁধে দেহ ভাসানো হয়। যেভাবে দেহ ফেলা হয়, তা নিয়ে প্রথমে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। কিন্তু তার চেয়েও বড় বিষয় হল দূষণ।
২০২৫-এ দাঁড়িয়ে যেখানে দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যত হিমশিম খেতে হচ্ছে ভারতকে। সেখানে এমন কাজ দেখে 'মধ্যযুগীয় বর্বরতা' বলতেও পিছপা হচ্ছেন না নেটিজেনদের একাংশ। দূষণ নিয়ে চিন্তায় পরিবেশ কর্মীরাও।
যদিও অযোধ্যার সাধু-সন্তদের একাংশ বলছেন এই প্রথা বহু প্রাচীন। বর্তমানে খুবই বিরল কিন্তু এই পদ্ধতিতে কাউকে সমাধিস্থ করলে তাঁর আত্মা দ্রুত মোক্ষ লাভ করে। ভগবান শ্রীরামও নাকি সরযূতেই বিলীন হয়ে গিয়েছিলেন।
১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর ১৯৯৩ সাল থেকে রামমন্দিরের প্রধান পুরোহিত পদে ছিলেন তিনি। রামলালা যখন মন্দিরের বাইরে অস্থায়ী তাঁবুতে ছিলেন, তখন নিত্যপুজোর দায়িত্ব ছিল তাঁর ওপর। ৮৫ বছর বয়সে প্রয়াত হন। প্রধান পুরোহিত পদে এখন কে বসবেন, সেই নিয়ে ট্রাস্টের বৈঠক শীঘ্রই হবে বলে জানা গিয়েছে।