
শেষ আপডেট: 27 February 2024 16:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্কুলের বইয়ে মুঘল সম্রাট আকবরকে মহান ব্যক্তিত্ব বলে উল্লেখ করা হয়। আর তাতেই আপত্তি শিক্ষামন্ত্রীর। উল্টে আকবরকে 'ধর্ষক' বলে মন্তব্য করেন তিনি। এমনকী সেই প্রেক্ষিতে সিলেবাস থেকে ওই অংশ বাদ দিতেও বলেন। আকবরকে নিয়ে 'আপত্তিকর' মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন রাজস্থানের শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলাওয়ার।
গত কয়েকদিন ধরেই সিলেবাস পরিবর্তন করা হবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা চলছিল। সেই প্রসঙ্গে নিজের বক্তব্য পেশ করতে গিয়েই আকবরের প্রসঙ্গ টেনে আনেন মদন। এক সাংবাদিক সম্মেলনে রাজস্থানের শিক্ষামন্ত্রী জানান যে তিনি স্কুলের সিলেবাস পরিবর্তনের পক্ষপাতী নন। তবে পড়ুয়ারা যাতে ভুল তথ্য না শেখে, সেদিকেও নজর রাখতে চান তিনি।
ঠিক কী বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন মদন? তিনি বলেন, ‘‘আকবর একজন আগ্রাসী এবং ধর্ষক ছিলেন। বাজার থেকে মেয়েদের তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করতেন আকবর। এই ধরনের মানুষ মহান ব্যক্তিত্ব নয়।’’ এখানেই শেষ নয়, তাঁর আরও বক্তব্য, ‘‘মহারাণা প্রতাপ এবং আকবরের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল। মহারাণা প্রতাপ সবসময়ে দেশের জন্য লড়াই করেছিলেন। এমন এক মানুষের বিরুদ্ধে আকবর যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তাই তিনি কি কখনও দেশের ভাল চাইতে পারেন?’’
শুধু আকবরই নয়, শিক্ষামন্ত্রীর মতে, স্কুল পাঠ্যবইতে বীর সাভারকর এবং শিবাজি সম্পর্কে প্রচুর বিভ্রান্তিকর তথ্য রয়েছে। সেই বিষয়গুলিও কীভাবে ঠিক করা যায় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। একইসঙ্গে সে রাজ্যের স্কুলে সূর্য নমস্কার বাধ্যতামূলক করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজস্থানের বারান জেলার একটি প্রাথমিক স্কুলে এক জন শিক্ষিকা দেবী সরস্বতী-র নামে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। পরে এই নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলাওয়ারের নির্দেশে গত শুক্রবার হেমলতা বৈরওয়া নামে ওই শিক্ষিকাকে সাসপেন্ড করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।