
পূজা খেদকার
শেষ আপডেট: 25 July 2024 23:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ট্রেনি আইএএস অফিসার পূজা খেদকারের মামলায় নতুন মোড়। এতদিন তাঁর বিরুদ্ধে 'বিশেষভাবে সক্ষম' হওয়ার ভুয়ো সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার অভিযোগ উঠছিল। কিন্তু যে হাসপাতাল তাঁকে সেই সার্টিফিকেট দিয়েছিল তারা এখন জানিয়েছে, ওই নথি বৈধ! কী ভিত্তিতে তারা এই দাবি করছে সেটারও ব্যাখ্যা দিয়েছে পুনের ওই হাসপাতাল।
পুনের যশবন্ত চৌহান মেমোরিয়াল হাসপাতালের ডিনের বক্তব্য, পূজা খেদকারকে যে 'বিশেষভাবে সক্ষম' হওয়ার নথি দেওয়া হয়েছিল তার যৌক্তিকতা আছে। হাসপাতালকে তদন্ত কমিটি গঠন করে এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেছিলেন জেলাশাসক। সেই কমিটিই বলছে, পূজা ৭ শতাংশ 'বিশেষভাবে সক্ষম'! তাই তাঁকে ওই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের ডিনের এও দাবি, তাঁদের কাছে যা নথি জমা দেওয়া হয়েছিল তার প্রেক্ষিতেই পূজা খেদকারকে ওই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে হাসপাতালের তরফে কোনও ভুল হয়েছে এমন কথার উল্লেখ নেই। যদিও তিনি এও বলছেন, ৭ শতাংশ 'বিশেষভাবে সক্ষম' হলেই তাঁকে ওই ক্যাটেগরিতে ফেলা যায় না। ইউপিএসসি বা অন্য কোনও পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই ক্যাটেগরির সুবিধা পাওয়ার জন্য অন্তত ৪০ শতাংশ 'বিশেষভাবে সক্ষম' হতে হবে।
হাসপাতালের বক্তব্য অনুযায়ী, পূজা যে 'বিশেষভাবে সক্ষম' হওয়ার নথি জমা দিয়েছেন ইউপিএসসি-কে তা বৈধ। তবে সেটি পরীক্ষায় পাশ করা বা সুবিধা পাওয়ার জন্য উপযুক্ত নয়। তাই এই ভুলের দায় পূজা খেদকারকেই নিতে হবে বলে কার্যত স্পষ্ট করে দিয়েছে পুনের হাসপাতাল। প্রসঙ্গত, পূজার জন্য এখন পরিস্থিতি ভীষণ জটিল। তাঁর বিরুদ্ধে খোদ মামলা করেছে ইউপিএসসি। ইতিমধ্যে জানা গেছে, তিনি রেশন কার্ড থেকে শুরু করে বাড়ির ঠিকানা, ফোন নম্বর সবই ভুল জমা দিয়েছিলেন।
অন্যদিকে, এই তথ্যও প্রকাশ্যে এসেছে যে বাবা-মার ডিভোর্সের ভুল খবর রটিয়ে তিনি ওবিসি কোটায় নিজের নাম ঢুকিয়েছিলেন। ইউপিএসসি-তে পূজা জানিয়েছেন, তাঁর বাবা-মার ডিভোর্স হয়ে যাওয়ায় ফ্যামিলি ইনকাম কিছুই নেই। আর তিনিই তাঁর মায়ের সঙ্গেই থাকেন। তবে পরে জানা যায়, তাঁরা তিনজন একসঙ্গে একই বাড়িতে থাকতেন।